আমি তো পোলার্ড বা রাসেল নই: মুশফিক

শ্রীলংকার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন মি. ডিপেন্ডেবল খ্যাত মুশফিকুর রহিম। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে খেলেছেন ৮৭ বলে ৮৪ রানের ইনিংস। যার সুবাদে ৩৩ রানে জয় পেয়ে তামিম বাহিনী।

সঙ্গত কারণেই ম্যাচসেরার পুরস্কার মুশফিকের ঝুলিতে গেছে। জয়সহ ম্যাচসেরা পুরস্কারের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ভক্তদের আক্ষেপ থাকতেই পারে। আশির কোটায় গিয়ে একটু দেখে শুনে খেললে হয়ত ৪০তম হাফসেঞ্চুরিকে সেঞ্চুরিতে রুপান্তরিত করতে পারেননি।

তাছাড়া ৮৪ রানের ইনিংসে বাউন্ডারিও অতো বেশি হাঁকাননি তিনি। ৮৭ বল থেকে ৮৪ রানের ইনিংস। যেখানে ছিল মাত্র ৪টি চার ও ১টি ছক্কার মার। অর্থাৎ ৬২ রানই এক-দুই থেকে নিয়েছেন তিনি। প্রশ্ন ওঠার আগেই বিষয়টির জবাব দিয়ে দিলেন মুশফিক। বললেন, তিনি তো কায়রন পোলার্ড বা আন্দ্রে রাসেল নন যে বলে বলে চার- ছক্কা হাঁকাবেন।

পুরস্কার গ্রহণের পর বাংলাদেশের এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান বলেন, ‘আমি বিশাল দেহের কেউ নই যে সহজেই বাউন্ডারি হাঁকাতে পারব। আমি পোলার্ড বা রাসেল নই। আমি নিজের শক্তির জায়গায় থাকার চেষ্টা করি। কন্ডিশনও আমাকে সুযোগ দেয়নি খুব বেশি বাউন্ডারি মারার। আমি তাই সময় নিয়েছি, আস্তে আস্তে রান বাড়িয়েছি। একটা প্রান্ত নিরাপদ রাখতেও হতো আমাকে। সেটা আমি করেছি।’

কন্ডিশনের কথা বলতে রোদ্র খরতাপ ও প্রচণ্ড গরমের প্রসঙ্গ টেনেছেন মুশফিক।

বললেন , ‘এমন কন্ডিশন খেলার জন্য আদর্শ নয়। শুধু গরমই নয়, আর্দ্রতাও ছিল অসহনীয়। প্রচণ্ড আদ্রতাপূর্ণ আবহাওয়া, অনেক ঘাম ঝরে। প্রতিটি বলে মনোযোগ ধরে রাখতে হয়। তবে আমাদের ক্রিকেটারদের কৃতিত্ব, তারা খুব ভালো সামলেছে। বিশেষ করে বোলাররা। মিরাজ অসাধারণ ছিল, মোস্তাফিজ-সাকিবও সঙ্গ দিয়েছে তাকে।’

উইকেটও ব্যাটিং সহায়ক ছিল না বলে জানালেন পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম এই খেলোয়াড়।

বললেন, ‘ব্যাটিংয়ের জন্য এই উইকেট খুব সহজ ছিল না। শুরুতে লিটন ও সাকিবকে হারিয়ে আরও একটু চাপে ছিলাম। তবে তামিম সে সময় খুব ভালো ব্যাট করেছে, যে কারণে আমি সময় নিয়ে এগুতে পেরেছি। রিয়াদ ভাইও খুব ভালো ব্যাট করেছেন। সব মিলিয়ে এটা ভালো ম্যাচ ছিল।’