সেই টিকটক হৃদয়কে গুলি করেছে ভারতীয় পুলিশ

পুলিশি হেফাজত থেকে পালানোর সময় ভারতীয় পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন টিকটক ‍হৃদয় বাবু ও তার সহযোগী সাগর। ভারতের কেরালায় বাংলাদেশি তরুণীকে ভয়ঙ্কর যৌন নির্যাতন ও ভিডিও ধারণ করে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল বেঙ্গালুরু পুলিশ।

ন্যাশনাল হেরাল্ড ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, শুক্রবার (২৮ মে) সকালে পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করলে টিকটক ‍হৃদয় বাবু ও ও তার সহযোগী সাগর পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়। ভারতীয় পুলিশ বলছে, তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে টিকটক হৃদয় বাবু, সাগর, মোহাম্মদ বাবা শেখ ও হাকিল নামে চার তরুণকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের মধ্যে রাজধানী ঢাকার হাতিরঝিলের বাসিন্দা রিফাদুল ইসলাম হৃদয় রয়েছেন, যিনি এলাকায় ‘টিকটক হৃদয় বাবু’ নামে পরিচিত। তবে গ্রেফতার নারীর পরিচয় জানানো হয়নি।

ভারতীয় পুলিশ বলছে, গ্রেফতার সবাই অবৈধভাবে ভারতে গেছেন। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে যে তরুণীকে পৈশাচিক নির্যাতন করা হয়েছে, তাকেও এই চক্রটি অবৈধভাবে ভারতে নিয়ে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করেছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীর সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।

ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. শহিদুল্লাহ বৃহস্পতিবার (২৭ মে) গভীর রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ওই ঘটনায় রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় তরুণীর বাবার করা মামলায় বাংলাদেশি আসামিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। ভিডিও দেখে নিজের মেয়েকে শনাক্তের পর বৃহস্পতিবার রাতে হাতিরঝিল থানায় মামলাটি করেন তিনি।