শা*রীরিক ক্ষ*মতা ১০ গুন বাড়িয়ে তুলতে যা খাবেন

আমাদের রান্নাঘরে মশলার তালিকায় ‘কালোজিরা’র উপস্থিতি অ’তি অবশ্যই লক্ষ্য করা যায়। প্রায় সবরকম ত্রি তরকারি থেকে শুরু করে অম্বল জাতীয় পদেও এই বিশেষ মশলা’টি ব্যবহৃত হতে দেখা যায়। কালোজিরা আমাদের যৌ’নক্ষমতাকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তার আগে আসুন দেখি কালোজিরা তে কী’ কী’ উপাদান আছে সেদিকে একবার চোখ বোলাই।

কালোজিরার মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ,ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ।কালোজিরার রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

যেসমস্ত পুরুষ বা নারী যৌ’ন দুর্বলতায়ভোগেন তাদের জন্য কালোজিরা ভীষণ ভাবে উপকারী। তবে এর জন্য আপনাকে একটি বিশেষ ধরনের মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। কালোজিরা চুর্ণ ও অলিভ অয়েল, ৫০ গ্রাম হেলেঞ্চার রস ও ২০০ গ্রাম খাটি মধু একত্রে মিশিয়ে সকালে ব্রেকফাস্টের পর এক চামচ করে খান। ফল পাবেন হাতেনাতে।

এলো’ভেরা যেভাবে রাতে মাত্র ৫ মিনিট ব্যবহার করলেই পাবেন ফর্সা, উজ্জল ও দাগমুক্ত ত্বক অ্যালো’ভেরা ত্বকের (skin) জন্য খুবই ভালো, এটি ত্বকে ময়েশ্চেরাইজারের কাজ করে। এটি ত্বকের ভেতরে পানির চেয়ে ৩-৪ গুন দ্রুত এবং প্রায় ৭ গুনের বেশি গভীরতায় ত্বকের (skin) ভেতরে প্রবেশ করে। এছাড়া এটি অনুজ্জ্বল ত্বককে সজীব ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

আসুন জেনে নেই ত্বকের যত্নে (skin czre) অ্যালো’ভেরার কিছু কার্যকরি প্রয়োগ: মুখের দাগ দূর করতে: ত্বকের(skin) যেসব জায়গায় দাগ আছে, এলো’ভেরার শাস বা জে’ল সেখানে সরাসরি প্রয়োগ করতে পারেন। রাতে ঘুমাবার আগে ত্বকের দাগগুলোতে জে’লের মতো করে এলো’ভেরার শাস লাগান। সকালে উঠে যে কোন ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

ত্বকের বলিরেখা কমাতে: অ্যালো’ভেরা ত্বকের(skin) বলিরেখা দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। অ্যালো’ভেরার সাথে মধু মিশিয়ে লাগালে ত্বকের অবাঞ্ছিত দাগ সহ বলিরেখা দূর হয়ে যায়।

মেছতা দূর করতে: মেছতা দূর করার আরেকটি উপাদান হলো এলো’ভেরা বা ঘৃতকুমা’রী পাতার জে’ল। এই জে’লের রয়েছে ত্বকের (skin) যাবতীয় সমস্যা দূর করার ক্ষমতা। আ’ক্রান্ত স্খানে আঙুলের ডগার সাহায্যে ধীরে ধীরে জে’ল ঘষে লাগাতে হবে এবং সারা রাত লাগিয়ে রাখতে হবে।

এভাবে কয়েক সপ্তাহ লাগালে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে। এ ছাড়া অ্যালো’ভেরা জে’লের সাথে ভিটামিন ই এবং প্রিম’রোজ অয়েল মিশ্রিত করে লাগালে এক সপ্তাহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যাবে।

চুলের (hair) যত্নে এলো’ভেরা চুল: খুশকি দূর করতে মেহেদিপাতার সঙ্গে অ্যালো’ভেরা মিশিয়ে লাগাতে পারেন চুলে। মা’থা যদি সব সময় গরম থাকে তাহলে পাতার শাঁস প্রতিদিন একবার তালুতে নিয়ম করে লাগালে মা’থা ঠাণ্ডা হয়। অ্যালো’ভেরার রস মা’থার তালুতে ঘষে এক ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। চুল (hair) পড়া বন্ধ হবে এবং নতুন চুল গজাবে।

শ্যাম্পু করার আগে আধা ঘণ্টা অ্যালো’ভেরার রস পুরো চুলে (hair) লাগিয়ে রাখু’ন। শ্যাম্পু করার পর চুল থেকে হাত সরাতেই মন চাইবে না। ঘৃতকুমা’রী শরীরের ভীতরে যেমন কাজ করে তেমনী শরীরের উপরে ও ত্বক (skin) লাবন্যের রুপ চর্জায় বিশেষ কাজ করে। চুলের রুক্ষতা দূর করতে ঘৃতকুমা’রী

অ’তিরিক্ত রুক্ষ চুল (hair)থেকে রেহাই পেতে অনেকেই রঙ-চঙে বিজ্ঞাপনের পাল্লায় পড়ে ব্যবহার করেন নামি দামী ব্র্যান্ডের হেয়ার প্রোডাক্ট। আবার অনেকে শরণাপন্ন হন ডাক্তারের, কেউ যান পার্লারে। কিন্তু এত ঝামেলায় না গিয়ে বাসায় বসে একটু সময় বের করেই আপনি চুলের রুক্ষতা দূর করতে পারেন। তাও আবার সামান্য ঘরোয়া জিনিষপত্র দিয়েই। কি, বিশ্বা’স হচ্ছে না? তবে চলুন দেখে নেই চুলকে রেশমের মত মোলায়েম করে তোলার সহ’জ একটি হেয়ার মাস্ক। অ্যালো’ভেরা (ঘৃতকুমা’রী) হেয়ার মাস্ক

অ্যালো’ভেরা বা ঘৃতকুমা’রী খুব ভালো একটি ময়েসচারাইজার। যা শুধুমাত্র ত্বকের (skin) শুষ্কতা ও রুক্ষতাই নয়, দূর করে চুলের রুক্ষতাও। অ্যালো’ভেরার ব্যবহার চুলের (hair)রুক্ষতা দূর করে চুলকে করবে মসৃণ, কোমল ও উজ্জ্বল। এই মাস্কটি তৈরি করতে আপনার লাগবে ৩/৪ টেবিল চা চামচ ঘৃতকুমা’রী জে’ল, দেড় টেবিল চামচ নারকেল তেল ও ৩ টেবিল চামচ ট’ক দই। চুলের (hair) ঘনত্ব ও লম্বা অনুযায়ী পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে।

একটি পাত্রে সকল উপাদান একসাথে নিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাগিয়ে নিন ভালো করে। ২০-৩০ মিনিট চুলে (hair)লাগিয়ে রাখু’ন মিশ্রণটি। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এবং একটি মৃদু শ্যাম্পু ব্যবহার করে চুল ধুয়ে নিন। প্রথম ব্যবহারেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন! সপ্তাহে ৩ বার এই মাস্কটি ব্যবহার করুন ভালো ফলাফল পেতে। ঘৃতকুমা’রীর পাতা থেকে জে’ল বের করার নিয়ম

বাসায় ঘৃতকুমা’রীর পাতা থেকে খুব সহ’জেই জে’ল বের করে নিতে পারেন। প্রতিবার তা’জা পাতা ব্যবহার করলে ফলাফল বেশি পাওয়া যাবে কিন্তু প্রয়োজনে এটা সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য।

একটি ঘৃতকুমা’রী পাতা নিয়ে এর গোড়ার দিকের অংশ কে’টে নিন। এরপর কা’টা অংশটি নিচের দিকে ধরে রাখু’ন। এতে করে পাতা থেকে হলদেটে একটি রস (juice) বের হবে। এই রসটি পুরোপুরি বের না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই ধরে রাখু’ন। তারপর হলদেটে রসটি ফেলে দিন।

হলদেটে রস (juice)পড়া বন্ধ হলে পাতাটি ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর পাতার দুইদিকের কাঁ’টা ভরা অংশ কে’টে ফেলে দিন। কাঁ’টা ফেলে দেবার পর পাতার সবুজ অংশ চেঁছে ফেলে দিন ও ভেতরের স্বচ্ছ জে’লের মত অংশ সংরক্ষণ করুন। এটাই ঘৃতকুমা’রী বা অ্যালো’ভেরা জে’ল, যা আপনি ফেসপ্যাকে ব্যবহার করতে পারবেন।