জমজমের পানি আল্লাহ তাআলার দেয়া রহমত

আল্লাহ্‌ মহান। এই সুন্দর দুনিয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ্‌। তিনিই আমাদের একমাত্র ভরসা। বিভিন্ন হাদীস অনুসারে আল্লাহ’র ৯৯টি নামের একটি তালিকা আছে। কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট ধারাবাহিক ক্রম নেই। বান্দা-বান্দি আল্লাহকে যে কোন নামে ঢাকলেই তিনি সাড়া দেন। আল্লাহ বান্দার প্রতি ক্ষমাশীল। মানুষের জীবনে প্রতিটি মুহূর্তই আল্লাহ তাআলার নেয়ামতে পরিপূর্ণ।

‘জমজম’ আল্লাহ তাআলার দেয়া অনন্য নিদর্শন ও রহমত। ভূপৃষ্ঠের সেরা পানি এ জমজম। হজরত ইসমাইল আলাইহিস সালামের পদাঘাতে সৃষ্ট কুয়ার এ পানি পানে মুসলিম উম্মাহর হৃদয় শীতল হয়। হজ ওমরা ও জিয়ারতকারীরা পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফের পর মাকামে ইবরাহিমে দু রাকাআত নামাজ আদায় করে তৃপ্তি সহকারে এ পানি পান করা।

দুনিয়ার অন্যান্য পানি বসে পান করতে হয়। আর জমজমের পানি দাঁড়িয়ে ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে পান করতে হয়। পানি পান করার পর কিছু পানি মাথায় দিবে। হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এ পানি পান করার সময় একটি দোয়া বর্ণনা করেছেন-

হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এ পানি পান করার সময় একটি দোয়া বর্ণনা করেছেন- উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ই’লমান নাফিআ’; ওয়া রিযক্বান ওয়াসিআ’; ওয়া আ’মালান সালিহা; ওয়া শিফাআম মিং কুল্লি দা-য়িন।’ অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাদের উপকারী জ্ঞান দান করুন; আমাদের রিযিকে বরকত দিয়ে দিন; আমাদের নেক কাজ করার তাওফিক দান করুন; সকল অসুস্থতাতে শেফা বা সুস্থতা দান করুন।’