সিসিক কর্মচারীদের সঙ্গে রিকশাচালকদের সংঘর্ষ

সিলেটে রিকশাচালক ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে নগর ভবনের সামনে সংঘর্ষ শুরু হলে নগরীতে তোলপাড় শুরু হয়।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে নামা অভিযানের প্রতিবাদে নগরীর বন্দরবাজার এলাকায় রিকশা শ্রমিক ও সিসিক কর্মচারীদের মধ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। সকালে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে কোর্ট পয়েন্টসহ নগরীর কয়েকটি এলাকায় অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার বিরুদ্ধে অভিযানে নামে সিসিক। অভিযানে বেশ কয়েকটি ব্যাটারিচালিত রিকশা আটক করা হয়।

এর প্রতিবাদে দুপুরে ব্যাটারিচালিত রিকশা শ্রমিকরা মিছিলসহকারে সিসিকের ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে সিসিকের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেন নিরাপত্তা রক্ষীরা। এ সময় উত্তেজিত শ্রমিকরা বাহির থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করলে সিসিকের কর্মচারীরা সিসিকের ভেতর থেকে পাল্টা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি এসএম আবু ফরহাদ বলেন, উভয় পক্ষই ইট-পাটকেল ছুড়েছে। এ সময় শ্রমিকদের ইটে সিসিকের দুইটি গাড়ির গ্লাস ভেঙে যায়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি।nএ বিষয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিকদের ইটে আমাদের অনেক গাড়ির গ্লাস ভেঙেছে। আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ দেব।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সিলেট নগরীর চৌহাট্টায় সড়কের পাশ দখল করা অবৈধ মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড উচ্ছেদে গেলে সিসিক কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান শ্রমিকরা। প্রায় ঘণ্টাখানেক চলে সংঘর্ষ। ভাংচুর করা হয় গাড়ি। আহত হন উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন। আর অস্ত্রসহ আটক হন একজন। কিন্তু ওই সংঘর্ষের প্রায় পাঁচ মাস পার হলেও সড়কের পাশ দখলমুক্ত করতে পারেনি সিসিক।