‘ইমিউনিটি’ বাড়ে আমে, আরও যত গুণ

মধুমাস চলছে। এই সময়ে হাতের কাছেই মিলছে সুস্বাধু সব ফল। আম, লিচু, কাঠাল, তরমুজ, জাম সবই পাওয়া যায় এই সময়ে। এর মধ্যে আমকে তার গুণাবলি ও স্বাদের কারণে ফলের রাজা বলা হয়। এটি শুধু সুস্বাদুই নয়; বরং এতে প্রচুর ভিটামিন থাকে।

আমে ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। তাই করোনাকালে আম খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। অনেকে ভাবেন, আম খেলে ওজন বেড়ে যাবে। এটি সত্যি নয়। আমে হজম শক্তি বাড়ায়। ভারতের জনপ্রিয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই গ্রীষ্মকালীন ফলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি উপাদান।

প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া রয়েছে নানা গুণ। চলুন, একঝলকে দেখে নেওয়া যাক আমের স্বাস্থ্যগত উপকারিতা—

ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

আমের খোসা ও রসে রয়েছে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর কার্যকর উপদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি নানা ধরনের জটিল রোগব্যাধি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

ভিটামিন এ-র দারুণ উৎস

ভিটামিন এ সমৃদ্ধ আমে রয়েছে বেটা-ক্যারোটিন, আলফা-ক্যারোটিন ও বেটা-ক্রিপটোক্সানথিন। তাই এ ফল নিয়মিত খেলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

পটাশিয়াম

তাজা আম পটাশিয়ামের ভালো উৎস, হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ ভালো রাখে। হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতেও কার্যকর ভূমিকা পালন করে আম।

আঁশ

আমে রয়েছে প্রচুর পানি। এ ছাড়া রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে আঁশ। পানি ও আঁশ হজমে সহায়তাকারী।

আরো গুণ

আম প্রকৃতিজাত। এটা ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। গ্রীষ্মকালে যেহেতু এ ফল সহজলভ্য, সেহেতু এখনই এটি খাওয়া উত্তম।

আম সম্পর্কেও রয়েছে প্রচুর ভুল ধারণা। অনেকে মনে করেন, আম খেলে ওজন বাড়ে। কিন্তু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটা ভুল ধারণা। আম ওজন বাড়ায় না। এটি অন্য অনেক ফলের মতো পুষ্টিকর, আঁশ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও মিনারেলযুক্ত ফল। সঠিক নিয়মে খেলে এটি কখনোই ওজন বাড়ায় না।