রায় শুনে একি করলেন মিন্নি, যা দেখে সকলে হতবাক

বরগুনার মো. শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ (২৬) হ”ত্যা মা’মলায় তাঁর স্ত্রী’ আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয় আ’সা’মির ফাঁ’সির আদেশ দিয়েছেন আ’দালত। খা’লাস পেয়েছেন চারজন। বরগুনা জে’লা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান আজ বুধবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় শুনে মৃ”ত্যুদ’ণ্ডাদেশপ্রা’প্ত রিফাত ফরাজীসহ অন্য আ”সা’মিরা অঝো’রে কাঁ’দ’ছিলেন। আ’সা’মিরা একে অ’পরকে জ’ড়িয়ে ধরে কা’ন্নায় ভে’ঙে প’ড়েন। অন্যদিকে, খা’লাস পাওয়া উপস্থিত তিন আ’সা’মি কা’ঠগ’ড়ায় দাঁ’ড়িয়ে এক অ’পরকে জ’ড়ি’য়ে ধরে উ’চ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। কিন্তু মা’মলার অন্যতম আ’সা’মি মিন্নিকে এ সময় স্বাভাবিক দেখা গেছে।

রায় ঘোষণা শেষে উপস্থিত ৯ আ’সা’মির মধ্যে মিন্নিকে আগে বের করে আনে পু’লিশ। এ সময় আ’দালতের বাইরে মিন্নির জন্য অ’পেক্ষমাণ ছিলেন তাঁর বাবা মোজাম্মেল হোসেন কি’শোর। তিনি মে’য়েকে দেখেই কা’ন্না শুরু করে দেন। মিন্নি বাবাকে দেখে না কাঁ’দলেও নি’র্বাক ছিলেন। এরপর একে একে অন্য আ’সা’মিদের আ’দালত থেকে বের করে আনা হয়।

রিফাত শরীফ হ”ত্যা মা’মলায় মৃ’ত্যুদ’ণ্ডাদে’শ পাওয়া আ’সা’মিরা হলেন রাকিবুল হাসান রিফাত ওরফে রিফাত ফরাজী (২৩), আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন (২১), মোহাইমিনুল ইস’লাম সিফাত (১৯), মো. রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকট’ক হৃদয় (২২), মো. হাসান (১৯) ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি (১৯)।

অন্যদিকে খালাস পেয়েছেন মো. মু’সা (২২), রাফিউল ইস’লাম রাব্বি (২০), মো. সাগর (১৯) ও কাম’রুল হাসান সাইমুন (২১)। আ’সা’মিদের মধ্যে আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি হাইকোর্ট থেকে জা’মি’নে ছিলেন। আর আ’সা’মি মো. মু’সা হ”ত্যাকা’ণ্ডের পর থেকেই পলা’তক ছিলেন।

এর আগে আজ রায় উপলক্ষে দুপুর পৌনে ১টায় আ’দালতের কা’ঠগ’ড়ায় হাজির করা হয় মিন্নিসহ অ’পর আ’সা’মিদের। এ সময় মিন্নিকে এজলাসের কা’ঠগড়ার সামনে রাখা হয়। তাঁকে চারজন নারী পু’লিশ দুপাশে ধরে রাখেন। এরপরেই বিচারক রায় ঘোষণা শুরু করেন।

এদিকে, রায়কে কেন্দ্র করে বরগুনা আ’দালত এলাকায় সাত স্তরের নি’রাপ’ত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শহরজুড়ে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে আ’ইনশৃ’ঙ্খলা বাহিনী।