নারী পুলিশের গোপন ভিডিও ছড়ানো সেই প্রেমিক রিমান্ডে

নারী পুলিশ সদস্যের আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবককে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে উঠানোর পর নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নূরুননাহার ইয়াসমিন শুক্রবার বিকালে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই যুবকের নাম হৃদয় খান। সে ঢাকার মগবাজার এলাকার বাসিন্দা।

নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে উঠালে বিজ্ঞ বিচারক রিদয় খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য একদিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন। আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনে গত বৃহস্পতিবার (৩ জুন) রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন কক্সবাজার জেলা পুলিশ লাইন্সে কর্মরত ওই নারী পুলিশ সদস্য।

মামলার এজহারে বলা হয়েছে, সে ফতুল্লার বাসিন্দা। হৃদয় খান ওই নারীর আত্মীয় এবং তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সুবাদে হোয়াটসঅ্যাপে হৃদয়ের সঙ্গে নিয়মিত ভিডিও কলে যোগাযোগ হতো তার। হৃদয় খান তাকে বিয়ের কথা বলেন। তাদের মধ্যে কথোপকথনের পাশাপাশি বিভিন্ন ‘গোপন ভিডিও’ আদান-প্রদান হয়, যা হৃদয় নিজের মোবাইল ফোনে সংরক্ষণ করে রাখেন। সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হলে হৃদয় তার জি-মেইলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন। এরপর সেখান থেকে মোবাইল ফোনের সব নম্বর ও ফেসবুকের তথ্য সংগ্রহ করেন। পরবর্তী সময়ে হৃদয় কৌশলে বিভিন্ন পুলিশ সদস্যের মোবাইল নম্বর দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ খুলে ‘গোপন ভিডিও’ ছড়িয়ে দেন।

এদিকে, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইন্সপেক্টর ফখরুদ্দীন ভূঁইয়া জানান, মামলার পরপরই পুলিশি অভিযানে শুক্রবার ভোররাতে জেলার সাইনবোর্ড এলাকা থেকে হৃদয় খানকে গ্রেপ্তার করেছেন। গ্রেপ্তারের পর সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

kalerkantho