রায় শুনে নির্বাক মিন্নি, অঝোরে কাঁদলেন ৫ আ’সা’মী

বহুল আ’লোচিত বরগুনার মো. শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ (২৬) হ’ত্যা মা’মলায় তাঁর স্ত্রী’ আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ৬ আ’সামির ফাঁ’সির আদেশ দিয়েছেন আ’দালত। আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খালাস পেয়েছেন চারজন। বরগুনা জে’লা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় শুনে মৃ’ত্যুদ’ণ্ডাদেশপ্রাপ্ত রিফাত ফরাজীসহ অন্য আ’সামিরা অঝোরে কাঁদছিলেন। আ’সামিরা একে অ’পরকে জড়িয়ে ধরে কা’ন্নায় ভেঙে পড়েন। অন্যদিকে, খালাস পাওয়া উপস্থিত তিন আ’সামি কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে এক অ’পরকে জড়িয়ে ধরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তবে মা’মলার অন্যতম আ’সামি মিন্নিকে এ সময় স্বাভাবিক দেখা গেছে।

রায় ঘোষণা শেষে উপস্থিত ৯ আ’সামির মধ্যে মিন্নিকে আগে বের করে আনে পু’লিশ। এ সময় আ’দালতের বাইরে মিন্নির জন্য অ’পেক্ষমাণ ছিলেন তাঁর বাবা মোজাম্মেল হোসেন কি’শোর। তিনি মে’য়েকে দেখেই কা’ন্না শুরু করে দেন। মিন্নি বাবাকে দেখে না কাঁদলেও নির্বাক ছিলেন। এরপর একে একে অন্য আ’সামিদের আ’দালত থেকে বের করে আনা হয়।

রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলায় মৃ’ত্যুদ’ণ্ডাদেশ পাওয়া আ’সামিরা হলেন, রাকিবুল হাসান রিফাত ওরফে রিফাত ফরাজী (২৩), আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন (২১), মোহাইমিনুল ইস’লাম সিফাত (১৯), মো. রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকট’ক হৃদয় (২২), মো. হাসান (১৯) ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি (১৯)। অন্যদিকে খালাস পেয়েছেন মো. মু’সা (২২), রাফিউল ইস’লাম রাব্বি (২০), মো. সাগর (১৯) ওকা ম’রুল হাসান সাইমুন (২১)। আ’সামিদের মধ্যে আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি হাইকোর্ট থেকে জামিনে ছিলেন। আর আ’সামি মো. মু’সা হ’ত্যাকা’ণ্ডের পর থেকেই পলাতক ছিলেন।

এর আগে আজ রায় উপলক্ষে দুপুর পৌনে ১টায় আ’দালতের কাঠগড়ায় হাজির করা হয় মিন্নিসহ অ’পর আ’সামিদের। এ সময় মিন্নিকে এজলাসের কাঠগড়ার সামনে রাখা হয়। তাঁকে চারজন নারী পু’লিশ দুপাশে ধরে রাখেন। এরপরেই বি’চারক রায় ঘোষণা শুরু করেন।

এদিকে, রায়কে কেন্দ্র করে বরগুনা আ’দালত এলাকায় সাত স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শহরজুড়ে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।