রায়ের পর যা বলল মিন্নির আইনজীবী

বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আ’সামির ৬ জনের মৃ’ত্যুদ’ণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপর চার আ’সামিকে অব্যাহতি দিয়েছেন। বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান আজ মা’মলার রায় দেন। এদিকে এ রায়ে সন্তুষ্ট হতে পারেননি মিন্নির আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল বারী আসলাম।

আজ (বুধবার) দুপুরে এ রায় ঘোষণার পর আদলত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন। মিন্নির আইনজীবী বলেন, আমি এই রায়ে সন্তুষ্ট নই। যে কোনো রায়ে জয় পরাজয় থাকেই, তাই হয়েছে।

আমরা উচ্চ আদালতে যাব।এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মা’মলার ৭ নম্বর আসামি ও রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকী মিন্নি এবং বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ৮ আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

তারা হলেন- রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মুসা, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর ও কামরুল ইসলাম সাইমুন। অপর এক আ’সামি মুসা পলাতক রয়েছেন।

২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে শত শত লোকের উপস্থিতিতে স্ত্রীর সামনে রিফাত শরীফকে (২৫) কু’পি’য়ে হ’ত্যা করা হয়।

পরে রিফাতকে কু’পি’য়ে হ’ত্যার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ভাইরাল হয়। ঘ’টনার পরদিন ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অ’জ্ঞাত আরও পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে মা’মলা করেন রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ।

ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুইভাগে বিভক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জনকে আসামি করা হয়। মা’মলার চার্জশিটভুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক আ’সামি মো. মুসা এখনও প’লাতক।