শি’ক্ষার্থীদের দারুণ সুখবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যেহেতু করোনাভা’ইরাসে সবার জী’বন স্থ’বির হয়ে পড়েছে এ’জন্য আমরা সি’দ্ধান্ত নি’য়েছি শি’ক্ষার্থীদের আমরা এক হাজার করে টাকা দেব, যাতে করে তারা তাদের কা’পড়-চো’পড়, টিফিন বক্স ও প্র’য়োজনীয় জিনিস কিনতে পারে।

বৃ’হস্পতিবার জা’তীয় সং’সদের চলমান অ’ধিবেশনের স’মাপনী ব’ক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ক’রোনাকালে নেয়া সরকারের প্রণোদনা প্যা’কে’জগুলো তুলে ধরে স’রকারপ্রধান বলেন, ২১টি প্যাকেজে এক লাখ ১২ হাজার ৬৩৩ ‘কোটি টাকা ব’রাদ্দ করেছি। তা জিডিপির ৪ দ’শমিক শূন্য ৩ শতাংশ।

এর বা’ইরেও ননএমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আমার বিশেষ তহবিল থেকে আ’র্থিক স’হায়তা দিয়েছি। প্রতিটি ম’সজিদ-মা’দরাসায় টাকা পাঠিয়েছি।

সরকারের প্রণোদনার বাইরেও আ’র্থিক সহায়তা দিয়ে যা’চ্ছি।নি বলেন, কোনো মানুষ যেন কষ্টে না থাকে সেদিকে বি’শেষ দৃষ্টি রে’খেই আমরা এই ব্য’বস্থাটা নিয়েছি।
অর্থনীতির চাকাটা যাতে গ’তিশীল থাকে আর সা;ধারণ মানুষ যেন কষ্ট না পায় তার জন্য এ ব্য’বস্থা আ’মরা নিয়েছি। কারণ দেশের মানুষের জন্যই আমাদের এই রাজনীতি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ক’রোনা চলমান এরই মধ্যে এলো ঘূ’র্ণিঝড় আ’ম্ফান। তারপর এলো দী’র্ঘমেয়াদি বন্যা। একটার পর একটা আ’ঘাত এসেছে।
আমি চেষ্টা করেছি দে’শের মানুষের যেন কষ্ট না হয়। মানুষ যেন কোনো দু’র্ভোগ না পো’হায়। আ’ল্লাহর র’হমতে সেটা আমরা কা’টাতে স’ক্ষম হয়েছি। আমাদের প্রচেষ্টা মা’নুষের জন্য কাজ আর সেটাই আমরা করে যা’চ্ছি।

দে’শবাসীর প্রতি আ’হ্বান জা’নিয়ে তিনি বলেন, বি’পদ দেখে ভয়ে হতাশাগ্রস্ত যেন না হয়ে পড়ি। বি’পদ আসবে। সেটা আমাকে মো’কাবিলা ক’রতে হবে।
এর জন্য আ’গাম প্র’স্তুতি নিতে হবে। আমরা সেই প্রস্তুতি নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি। সে’ভাবে সার্বিক উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা সা’ধ্যমতো মানুষের পাশে আছি। মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছি। যখন সাধারণ ছুটি ঘো’ষণা করা হয়েছিল তখন ক’রোনাভা’ইরাস মো’কাবিলা, ত্রাণ বি’তরণসহ অ’ন্যান্য কাজে যে সব ম’ন্ত্রণালয়ের সং’শ্লিষ্টতা ছিল তারা কা’জ করেছে।

আ’মাদের কিছুদিন থ’মকে যেতে হয়েছিল। সবকিছু প্রায় ব’ন্ধ অবস্থায় ছিল। সব কা’র্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তার মধ্যেও সরকার কিন্তু বসে থাকেনি।
যার কারণে আমরা রি’জার্ভ ৩৯ দশমিক ৪০ বি’লিয়ন মার্কিন ডলারে উ’ন্নীত করতে পেরেছি। এখানে অ’বশ্য আ’রেকটা কারণ আছে আমাদের খরচ ক’মেছে।
ক’রোনাভা’ইরাসের কারণে আমাদের বিদেশ যা’ওয়া নেই, বি’ভিন্ন অ’নুষ্ঠান নেই। এসব কারণে আমাদের বেশ সাশ্রয় হয়েছে। সেটা আমরা

মানুষের ক’ল্যাণে ব্য’য় করতে পারছি। মাথাপিছু আয় দুই হাজার ৬৪ ডলারে উন্নীত হয়েছে। মাঝখানে কিছুদিন রফতানি একটু থ’মকে গেলেও আ’মাদের আ’মদানি-র’ফতানি এখন বৃ’দ্ধি পেয়েছে।
যে কা’রণে গা’র্মেন্টগুলো যা চেয়েছে আমরা সেভাবে দিয়েছি।

আমাদের র’ফতানি যেন ক্যা’নসেল না করে, যে কারণে অনেক দেশের স’রকারপ্রধানের সাথে আমি নিজেও কথা ব’লেছি।তিনি বলেন, আ’মাদের বড় মেগা প্র’জেক্টগুলো থ’মকে গিয়েছিল সেগুলোর কাজ এখন চ’লমান।
ডি’জিটাল করে আ’মরা স’রকারি কা’র্যক্রমগুলো স’ক্ষম রাখতে পেরেছি। দেশকে আ’মরা এ’গিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*