কাঁদছেন রিফাতের বাবা!

বরগুনার আ’লোচিত রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলায় স্ত্রী’ আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জনের মৃ’ত্যুদ’ণ্ড দিয়েছেন আ’দালত। এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নি’হত রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ। রায় শুনে আ’দালতে কেঁদে ফেলেন তিনি।

এর আগে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ২টার দিকে রিফাত শরীফ হ’ত্যা মা’মলায় স্ত্রী’ আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জনের ফাঁ’সির আদেশ দেন আ’দালত। এছাড়া এ মা’মলায় চারজনকে খালাস দেয়া হয়েছে। বরগুনার জে’লা ও দায়রা জজ আ’দালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার পর রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বলেন, এক বছর ধরে আমাদের পরিবারের সদস্যরা কাঁদছি। আমাদের নির্ঘুম দিন কাটছে। ওই কা’ন্না আর আজকের কা’ন্নার মধ্যে অনেক তফাত। ১৫টা মাস এই দিনটার জন্য অ’পেক্ষা করেছিলাম। রায়ে রিফাতের আত্মা শান্তি পাবে।

তিনি বলেন, আম’রা সুবিচার পেয়েছি। তবে রায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত স্বস্তি পাচ্ছি না। কাঙ্ক্ষিত রায় পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান দুলাল শরীফ।

২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে শত শত লোকের উপস্থিতিতে স্ত্রী’ মিন্নির সামনে রিফাত শরীফকে (২৫) কু‌‌’পিয়ে হ’ত্যা করা হয়। পরে রিফাতকে কু‌‌’পিয়ে হ’ত্যার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাই’রাল হয়।

ঘটনার পরদিন ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অ’জ্ঞাত আরও পাঁচ-ছয়জনের বি’রুদ্ধে হ’ত্যা মা’মলা করেন নি’হত রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ।

ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর প্রাপ্তবয়স্ক ও অ’প্রাপ্তবয়স্ক দুই ভাগে ভাগ করে ২৪ জনের বি’রুদ্ধে আ’দালতে ত’দন্ত প্রতিবেদন দেয় পু’লিশ। এতে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অ’প্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জনকে অ’ভিযু’ক্ত করা হয়।