রাতে অপরূপ আলোকসজ্জায় সজ্জিত ফরিদপুরের ভাঙ্গা

দেশের ফরিদপুর জেলার গ্রামীণ জনপদ ভাঙ্গায় গড়ে ওঠা অত্যাধুনিক এই নিদর্শনটি দেখে মনে পড়ে যাবে দুবাইয়ের কথা। বা মনে হতে পারে ইউরোপ, আমেরিকা কিংবা উন্নত কোনো বহির্বিশ্বের চিত্র। তবে এটি বহির্বিশ্বের কোনো চিত্র নয়। বলা হচ্ছে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের কথা।

এদিকে এশিয়ান হাইওয়ে করিডর-১ এর অংশ এই এক্সপ্রেসওয়ের ঢাকা প্রান্ত থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত দূরত্ব ৫৫ কিলোমিটার। সদ্যনির্মিত এক্সপ্রেসওয়ে ধরে এই দূরত্ব অতিক্রম করতে এখন সময় লাগছে মাত্র ৪২ মিনিট। আর ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে যেতে সময় লাগে ২৭ মিনিট। অবশ্য এখনই ঢাকা থেকে সরাসরি ভাঙ্গা পর্যন্ত যাওয়া যাবে না। পদ্মা সেতু হওয়ার পর এই সুফল পুরোপুরি ভোগ করা যাবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০২০ সালের ১২ মার্চ বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করেন। এদিকে তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা সদর এখন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার প্রবেশদ্বার। এ প্রবেশদ্বার দিয়ে পশ্চিম দিকে রাস্তা চলে গেছে গোপালগঞ্জ হয়ে খুলনা-বেনাপোল পর্যন্ত।

দক্ষিণে মাদারীপুর, বরিশাল হয়ে পটুয়াখালীর সাগরসৈকত কুয়াকাটা, উত্তরে ফরিদপুর শহর হয়ে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে। পূর্বে মাদারীপুর হয়ে পদ্মা সেতু পার হলেই মাত্র ২০ থেকে ২৫ মিনিটে ঢাকা। অবশ্য পদ্মা সেতু চালু না হওয়া পর্যন্ত এই সুবিধা পূর্ণাঙ্গভাবে পাওয়া যাবে না।