পঞ্চ’ম শ্রেণি থেকেই প্রে’মে অভ্যস্ত মিন্নি, তার প্রে’মিকদের তালিকাও বেশ দীর্ঘ

প্রে’ম একটি স্বর্গীয় বিষয় হলেও বর্তমানে এই প্রে’ম টাই যেন এখন হয়ে দাড়িয়েছে অনেক সর্বনাশের কারন। যার অনেক প্রমান মিলে আমাদের সমাজের আনাচে-কানাচে। বিশেষ করে বরগুনার রিফাত মিন্নির ঘটনাই যেন এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহারন।

এ দিকে বরগুনার আ’লোচিত রিফাত হ’/ত্যা মা’মলায় রায় দিয়েছে আ’দালত। এতে রিফাত শরীফের স্ত্রী’’ আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিসহ ছয়জনকে মৃ’/ত্যু’/দ’/ণ্ড দেয়া হয়েছে।

রায় দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিন্নি স’ম্পর্কে নানা তথ্য ভেসে বেড়াচ্ছে। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকেই মিন্নির বেপরোয়া জীবনযাপন শুরু হয়েছিল বলে দাবি এলাকাবাসীর। বাবা-মায়ের অধিক প্রশ্রয়ে আজকের এ পরিণতি।

এলাকাবাসী জানায়, পঞ্চ’ম শ্রেণিতে পড়ার সময়ে মিন্নি অনেকের সঙ্গে প্রে’মে জড়িয়ে পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় নয়ন ব’ন্ড ও রিফাত শরীফ ছিল তার শিকার। সেই প্রে’ম সূত্র থেকেই রিফাত শরীফকে হ’/ত্যা করে নয়ন ব’ন্ড ও তার সহযোগী স’/ন্ত্রা’/সী’/রা।

বুধবার দুপুরে আ’লোচিত এ হ’/ত্যা মা’মলার রায় ঘোষণা করেন বরগুনা জে’লা ও দায়রা জজ আ’দালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান। এ মা’মলায় প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আ’সামির মধ্যে বাকি চারজনকে খালাস দেয়া হয়েছে।

এর আগে, এ দিন সকাল ৯টায় বাবা মোজা‌ম্মেল হক কি‌শোরের সঙ্গে মিন্নি আ’দালত প্রাঙ্গণে আসেন। এরপর কারাগার থেকে আট আ’সামিকে আ’দালতে আনা হয়। রায়ের পর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ২টা ৫০ মিনিটে মিন্নিকে আ’দালত থেকে ডিবি পু’লিশের একটি কালো মাইক্রোবাসে কারাগারে নেয়া হয়। এর ১০ মিনিট পর পু’লিশের প্রিজন ভ্যানে কারাগারে নেয়া হয় বাকি মৃ’/ত্যু’/দ’/ণ্ড-প্রাপ্তদের।

২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে নয়ন ব’ন্ড ও তার সহযোগী স’ন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রা’/ম’/দা দিয়ে কু’/পি’/য়ে রিফাত শরীফকে গু’/রু’/ত’/র আ’হ/ত’/ করে। এরপর বীরদর্পে অ’/স্ত্র উঁচিয়ে এলাকা ছাড়েন তারা। গু’/রু’/তর আ’/হ’/ত রিফাত বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে ওইদিনই মা’/রা যান।

ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হ’/ত্যা মা’মলায় রিফাতের স্ত্রী’’ মিন্নিসহ ২৪ জনের বি’রুদ্ধে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতে চার্জশিট দেয় পু’লিশ। একইসঙ্গে রিফাত হ’/ত্যা মা’মলার এক নম্বর আ’সামি নয়ন ব’ন্ড ব’/ন্দু’ক’/যু’/দ্ধে’ নি’/হ’/ত হওয়ায় তাকে মা’মলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

২০২০ সালের শুরুতে এই মা’মলার ১০ আ’সামি নিয়ে বিচার কার্য শুরু হয়। এর পর নানা ধরনের ত’দন্ত আর সাক্ষীদের বয়ানের পরিপ্রেক্ষিতে এগুতে থাকে বিচার কার্য। শেষ পর্যন্ত গতকাল হয়ে গেল এই মা’মলার বহু প্রতিক্ষিত রায়। আর এ রায়ে সন্তুষ্ট দেশের সকলেই।