হঠাৎ সারাদেশে ৪৮ ঘণ্টা পরিবহন ধ’র্মঘটের ডাক

সড়ক পরিবহন আইন সংশোধনসহ ৯ দফা দাবিতে সারাদেশে ৪৮ ঘণ্টার পণ্য পরিবহন ধ’র্মঘটের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভা’র্ডভ্যান মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। ১২ ও ১৩ অক্টোবর এই ধ’র্মঘট পালন করা হবে।

আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) নগরের কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু সংলগ্ন রাজবাড়ী কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সভায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী এই ধ’র্মঘটের ডাক দেন।

এদিকে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভা’র্ডভ্যান মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে ও সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ ট্রাক-কাভা’র্ডভ্যান মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক রুস্তম আলী।

বিশেষ অ’তিথি ছিলেন, বাংলাদেশ ট্রাক-কাভা’র্ডভ্যান মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব মো. তাজুল ইস’লাম, চট্টগ্রাম জে’লা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব গো’লাম রসুল বাবুল, বৃহত্তর চট্টগ্রাম পণ্য পরিবহন মালিক ফেডারেশনের মহাসচিব নুরুল আবছার,

বাংলাদেশ ট্রাক ড্রাইভা’র ইউনিয়নের সভাপতি মনির তালুকদার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক গো’লাম নবী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মো. মুছা. সাধারণ সম্পাদক অলি আহম’দ, ও বাংলাদেশ ট্রাক-কাভা’র্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি তফাজ্জল হোসেন।

এ সভায় ওসমান আলী বলেন, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের স্বার্থের কথা বিবেচনা না করে সরকার সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাস্তবায়ন করেছে। ফলে সারাদেশে পরিবহন সেক্টরে নৈরাজ্য চলছে। এ আইনের কারণে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

তিনি বলেন, ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এ আইন সংশোধনসহ পরিবহন নৈরাজ্য ঠেকাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে ৯ দফা দাবির পাশাপাশি আগামী ১২ ও ১৩ অক্টোবর সারাদেশে ৪৮ ঘন্টার পণ্য পরিবহন ধ’র্মঘট পালন করা হবে। এর মধ্যে দাবি আদায় না হলে ৯৬ ঘণ্টার ধ’র্মঘট, তাও না হলে অনির্দিষ্ট’কালের ধ’র্মঘট আহ্বান করা হবে।

ওসমান আলী বলেন, শ্রমিকরা ট্রাক-কাভা’র্ডভ্যান, প্রাইমমুভা’র, মিনি ট্রাক ও লরি না চালালে চট্টগ্রাম বন্দরসহ দেশের বিভিন্ন বন্দর ও স্থান দিয়ে আম’দানি-রফতানি, সব ধরনের গার্মেন্টস, খাদ্য ও বিভিন্ন পণ্য পরিবহন বন্ধ হয়ে যাবে।

‘সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলা আমাদের সংগঠনের উদ্দেশ্য নয়। ন্যায্য দাবি আদায় না হলে শুধু পণ্য পরিবহন নয়, সকল পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনকে সাথে নিয়ে আ’ন্দোলন আরো বেগবান করা হবে।’