শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ থাকতে পারবে না : মান্না

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে নাগরিকের ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, তিনি জানেন যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়, যদি হলগুলো খুলে দেওয়া হয় তাহলে হলে বিরোধীদলীয় ছাত্ররা ঢুকবে। তখন ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ থাকতে পারবে না, ডিবির লোক থাকতে পারবে না।

আজ শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বেলা ১২টার দিকে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। ‘শিক্ষক-কর্মচারী-অবিভাবক ফোরাম’ এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।মান্না বলেন, তখন সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিরোধী দলীয় প্রোগতিশীল ছাত্রদের দখলে যাবে। তারা বলবে ভোট চাই, শিক্ষা চাই, ওষুধ চাই, টিকা চাই। করোনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই,

আমরা গরিব মানুষের মুক্তি চাই, অর্থ চাই, অন্ন চাই। কিচ্ছু দিতে পারবে না এরা (সরকার)। এই কারণে আমরা যতই কথা বলি-না-কেন ওরা (সরকার) কোনো দাবি মানবে না। এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার নয়। জনগণের সরকার হলে জনগণের কথা ভাবত।

এক সময়ে অত্যাচারী রাজারা চাইত না তার রাজ্যের লোকেরা শিক্ষিত হোক। তারা মনে করত জনগণ শিক্ষিত হলে তারা রাজার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে। শেখ হাসিনা ভাবছে জনগণ শিক্ষিত হলে তার বিরুদ্ধেও জনগণ বিদ্রোহ করবে। এই কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য করে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ১৫ বছর ক্ষমতায় থেকে মানুষের কোনো অধিকার পূরণ করতে পারেন নাই। এদেশের মেরুদণ্ড ভেঙে দিতে চাইলে শিক্ষার মেরুদণ্ড ভেঙে দিতে হবে। এজন্য শেখ হাসিনা সব জেনে, শুনে, বুঝে করোনার অজুহাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রেখেছে।

শেখ হাসিনা জানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিলে ভোট ডাকাতের এই সরকার পতনের আন্দোলন হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আলম এহাসুল মিলন,ডাকসুর সাবেক এপিএস নাজিম উদ্দিন আলম, ডাকসুর সাবেক ভিপি নূরুল হক নূর,

শিক্ষক-কর্মচারী-অবিভাবক ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিম ভুঁইয়া, বিএনপির সহপ্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গণমাধ্যম উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, কৃষক দলের মিয়া মো. আনোয়ার, মানুষ বাঁচাও দেশ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।