মুশফিক ভাইকে দেওয়া কথা রাখতে পেরেছি: সাইফউদ্দিন

বঙ্গবন্ধু টি২০: ঢাকা প্রিমিয়ার লীগের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের মতো বড় লড়াইয়ে ব্যাটে-বলে দারুণ ছিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। মূলত তরুণ এই অলরাউন্ডের শেষের ঝড়েই দেড়শতে পৌঁছায় আবাহনী লিমিটেড। একইসঙ্গে বল হাতে চার উইকেট নিয়ে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন সাইফউদ্দিন।

তাই ম্যাচ সেরার পুরস্কারও উঠেছে তাঁর হাতে। আর দুই বিভাগে ভূমিকা রেখে বেশ খুশি আবাহনীর এই তারকা ক্রিকেটার।অবশ্য এই খুশির পেছনে কারণ আছেন। জাতীয় দলের সতীর্থ মুশফিকুর রহিমকে ঘরোয়া লিগের প্রথম টাইটেল উপহার দিতে পেরে আনন্দিত সাইফউদ্দিন। পুরস্কার নেওয়ার সময় তা জানালেন সাইফ নিজেই।

গতকাল শনিবার (২৬ জুন) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আবাহনীর দেওয়া ১৫১ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা সুখকর হয়নি প্রাইম ব্যাংকের। সুপার লিগের শেষ রাউন্ডের ম্যাচে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে ৮ রানে হারিয়ে হ্যাটট্রিক শিরোপা ঘরে তুলেছে আবাহনী। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটিতে ছিলেন না দলের প্রাণভোমরা মুশফিকুর রহিম।

চোটের কারণে আগেই ছিটকে গেছেন তিনি। তবে তিনি না থাকলেও সাইফ-আফিফরা ঠিকই শিরোপা উপহার দিয়েছেন তাঁকে। দেড় দশকের ক্যারিয়ারে ঘরোয়া ক্রিকেটে এই প্রথম শিরোপা স্বাদ পেয়েছেন মুশফিক। উইকেটকিপার এই ব্যাটসম্যানের অপূর্ণতা ঘোচাতে পেরে খুশি হয়ে সাইফউদ্দিন বলেন, আমরা মুশফিক ভাইকে মিস করেছি গত কয়েকটি ম্যাচে।

উনি শুধু আমাদের দল নয়, জাতীয় দলের একজন সিনিয়র ক্রিকেটার এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। এমন বড় ম্যাচে তাঁকে ছাড়া খেলা অনেক হতাশার ছিল। তারপরও আমরা সংকল্পবদ্ধ ছিলাম, যেহেতু মুশফিক ভাই টিম মিটিংয়ে বলেছিলেন, উনার ডিপিএলে কোনো শিরোপা নাই। আমরা তাঁর জন্য সেরাটা দিয়ে খেলেছি। আমরা আমাদের কথা রাখতে পেরেছি।

উল্লেখ্য, ঘরোয়া লিগে গত দুই আসরেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আবাহনী। প্রাইম ব্যাংক ২০১৫ সালে সবশেষ শিরোপা জিতেছিল। ছয় বছর পর এত কাছে এসেও তরী ডুবল তাদের।