এটা কোনো ক্ষেত নয় রাস্তা!

নাটোরের সিংড়া উপজেলার খাজুরা ইউনিয়নের ভোগা ঈদগাহ মাঠ হতে কবরস্থান পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার অংশ কাঁচা। বর্ষা মৌসুমসহ বছরের অর্ধেক সময়ই থাকে কাদাপানি। এই কাদাপানি মাড়িয়ে প্রতিদিন অসুস্থ রোগী, কৃষিপণ্য, শিক্ষার্থীসহ শত শত সাধারণ মানুষকে যাতায়াত করতে হয়। বিশেষ করে গ্রামের কেউ মৃত্যুবরণ করলে কাদাপানি মাড়িয়ে যেতে ভোগান্তির শিকার হন মুসল্লিরা।

তাই ভোগান্তি থেকে বাঁচতে রাস্তাটিতে অন্তত ইট বিছানোর দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী। ভোগা কেন্দ্রীয় কবরস্থানের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ভোগা গ্রামটিতে প্রায় আড়াই হাজার লোকের বসবাস। বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৬ মাস একটি মাত্র রাস্তার জন্য চরম দুর্ভোগের শিকার হন গর্ভবতী নারী, বয়স্ক রোগী ও কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা।

বিশেষ করে রাস্তাটি দিয়ে চলাচলে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয় নিহত ব্যক্তির লাশ কবরস্থানে আনা ও মুসল্লিদের যাতায়াত। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এ দুর্ভোগ থেকে বাঁচার আকুতি জানিয়ে আসছেন গ্রামের নারী-পুরুষসহ সব বয়সের মানুষ।

স্থানীয় কৃষক মহাতাব আলী ও জাকির হোসেন বলেন, ভোগা গ্রামটির অধিকাংশ মানুষ কৃষক। প্রতিদিন সহস্রাধিক মানুষকে কাদাপানি ডিঙিয়ে এ রাস্তা দিয়ে গ্রামের পশ্চিম মাঠে যেতে হয়। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য আনা-নেয়া করতে পারে না। এলাকাবাসীর দাবি রাস্তাটি যেন চলাচলের উপযোগী করা হয়

এবং স্থানীয় এমপি আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা। রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. দেলবর হোসেন বলেন, এ রাস্তাটির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তালিকা দিয়ে বারবার চেষ্টা চালানো হয়েছে। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। তবে সামনে তাদের পরিকল্পনা রয়েছে।