লকডাউনের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কারণ জানালেন তথ্যমন্ত্রী

করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে সোমবার থেকে সারা দেশে এক সপ্তাহের ‘কঠোর লকাডাউন’ ঘোষণার একদিন পর সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে সরকার। আগামী ১ জুলাই থেকে সারা দেশে ‘সর্বাত্মক লকডাউনের’ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ তিন দিন পিছিয়ে দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।এদিন সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, জুন ক্লোজিংয়ের কারণেই সরকারকে নতুন ঘোষণা দিতে হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে সোমবার থেকে লকডাউনের কথা বলা হয়েছিল কিন্তু ৩০ তারিখ যেহেতু অর্থবছর শেষ হতে যাচ্ছে, সেই বিবেচনায় পরিপূর্ণ লকডাউনের পরিবর্তে কিছু বিধিনিষেধ বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত আরোপ করা হয়।

সরকারের দফায় দফায় সিদ্ধান্ত বদলের সমালোচনা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে। এমনকি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শরিক জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুও সোমবার সংসদে দাঁড়িয়ে এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এভাবে সরকারের সিদ্ধান্ত বদলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন,

সরকার শুরু থেকে যেভাবে জীবন রক্ষা ও জীবিকা রক্ষার মধ্যে সমন্বয় করে পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করেছে, সে কারণে করোনাকে আমরা আমাদের দেশে অনেক দেশের তুলনায় নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি।হাছান মাহমুদ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট, যেটাকে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট বলা হচ্ছে,

সেটি আসার কারণে আমাদের দেশে করোনা দ্রুত ছড়াচ্ছে। মৃত্যুর সংখ্যাও অতীতের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। সে কারণে সরকার কিছু বিধিনিষেধ প্রাথমিকভাবে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে আরোপ করেছে। পরবর্তীতে ঢাকার চারপাশের জেলাগুলোতে আরোপ করা হয়েছে। যেহেতু জনগণ যেভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানা প্রয়োজন ছিল সেভাবে মানছে না,

বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীর মধ্যে আগে যে ভীতিটি ছিল, করোনা নিয়েছে ভীতিটা এখন আর নেই। যে কারণে করোনা দ্রুত ছড়াচ্ছে।

Shares
facebook sharing button