আমার কাছে মন খুলে বাঁচতে পারার নামই জীবন: জয়া আহসান

জন্মদিন উপলক্ষে এক সাক্ষাৎকারে জয়া বলেন, সত্যি বলতে কী, কখনও সেভাবে ঘটা করে আমার জন্মদিন উদযাপন করা হয় না। বরাবরের মতো এবারও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই জন্মদিনের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছি। সাধারণত প্রতি জন্মদিনে মা আমার পছন্দের খাবার রান্না করেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

এ ছাড়া জন্মদিনের আগের রাত থেকে শুরু করে পরদিন সারাদিন ভক্ত ও ভালোবাসার মানুষেরা শুভেচ্ছা জানিয়েছে। সবাই আমাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুব সুন্দর করে নানা কথা লিখেছেন। অনেকের লেখায় আন্তরিকতা আর মমতা ছিল। সত্যিকারের ভালোবাসা এমন দিনেই টের পাওয়া যায়।

আপনার কাছে জীবনের সংজ্ঞা কী? আমি মনে করি, মন খুলে বাঁচতে পারার নাম জীবন। জীবন উদযাপনের। জীবন উপভোগের। এদিকে, জন্মদিনে জয়া আহসানকে ভালোবাসা জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। তিনি ফেসবুকে লেখেন, ‘শুভ জন্মদিন আমাদের মেধাবী অভিনেত্রী জয়া আহসান আপু। আপনি আমাদের গর্ব। ’

অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া, নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী, রাশিদ পলাশসহ অনেকে তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। গত পাঁচ বছর ধরে বিশেষ এই দিনটি ঘটা করে উদযাপন করেন না জয়া আহসান। ২০১৬ সালে এই দিনে হোলি আর্টিজানের ঘটনার পর থেকে বিশেষ এই দিনে কেক কাটেন না তিনি।

নব্বই দশকের শেষদিকে শোবিজে জয়া আহসানের যাত্রা শুরু হয় মডেলিং দিয়ে। পরে নাটক ও টেলিছবিতে অভিনয় শুরু করেন তিনি। সিনেমায় আসার পর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়েনি। ২০০৪ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘ব্যাচেলর’ সিনেমার মধ্য দিয়ে বড়পর্দায় যাত্রা শুরু জয়ার।

এরপর নুরুল আলম আতিকের ‘ডুবসাঁতার’, নাসির উদ্দীন ইউসুফের ‘গেরিলা’, রেদওয়ান রনির ‘চোরাবালি’, অনিমেষ আইচের ‘জিরো ডিগ্রি’র মতো সিনেমায় অভিনয় করে নন্দিত হন তিনি। জয়া প্রথম বাংলাদেশি অভিনেত্রী, যিনি ‘ভারতের ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন।

২০১১ সালে ‘গেরিলা’য় অভিনয়ের সুবাদে প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। এরপর ‘চোরাবালি’, ‘জিরো ডিগ্রি’, ও ‘দেবী’তে অভিনয়ের জন্যও একই সম্মাননায় ভূষিত হন তিনি। ২০১৩ সালে জয়া প্রথমবারের মতো অভিনয় করেন কলকাতার ছবিতে। অরিন্দম শীল পরিচালিত ‘আবর্ত’তে তার বিপরীতে ছিলেন আবির চ্যাটার্জি।