তিন বোনকে ‘তু’লে নেয়ার ‘হু’মকি দিলেন আ.লীগ নেতা

গাজীপুরের কালীগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের এক পরিবারের ৩ বোনকে তুলে নেয়ার হু’মকি দিয়েছেন স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও তার স’ন্ত্রাসী দল।

এ ব্যাপারে স্টিফেন গমেজ (৬৬) বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থা’নায় অ’ভিযোগ দায়ের করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন থা’নার ওসি একেএম মিজানুল হক।

নেতৃত্ব দেয়া ওই আওয়ামী লীগ নেতার নাম আরমান হোসেন আকন্দ (৫০)। তিনি কালীগঞ্জ পৌরসভা’র ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।

তার সহযোগী স’ন্ত্রাসীরা হলেন- একই ওয়ার্ডের কাজল (৩২), মামুন (৩৬), আল আমিন (৩৫), ইয়ামিন (৩২), আলম (৩২), যাকোব গ্রেগরী (৬২)।

অ’ভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জমি নিয়ে স্টিফেন গমেজের সঙ্গে ছোটভাই জন গমেজ ও তার স্ত্রী’ শেলী গমেজের দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলছিল।

এরই মধ্যে জন গমেজের জমির আম-মোক্তারনামা দলিল সূত্রে মালিকানা দাবি করেন ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে স্টিফেন গমেজের বাড়িতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলছিল। এ সময় স্টিফেন গমেজের ৩ মে’য়ে ছাড়া অন্য কেউ বাড়িতে ছিলেন না।

এই সুযোগে তাদের বাড়িতে আওয়ামী লীগ নেতা আরমান ও তার সহযোগী স’ন্ত্রাসী বাহিনী গিয়ে কাজে বাধা দিয়ে সীমানা প্রাচীর ভাংচুর করেন এবং নিমা’র্ণ কাজ বন্ধ করে দেন। বন্ধ করা কাজ আবার চালু হলে স্টিফেন গমেজের কলেজ শিক্ষার্থী ৩ মে’য়েকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে তাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার হু’মকি দিয়ে চলে যান।

এ ব্যাপারে জন গমেজ বলেন, সপ্তাহ খানেক আগে ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতির লোকজনকে ৮ শতাংশ জমির আম-মোক্তারনামা দলিল সূত্রে মালিকানা প্রদান করা হয়েছে।

তবে ভাতিজিদের তুলে নেয়ার হু’মকির বিষয়টি তার জানা নেই। আওয়ামী লীগ নেতা আরমান হোসেন আকন্দ বলেন, ঘটনাস্থলে আমি যাইনি। তবে আম-মোক্তারনামা দলিল সূত্রে কাজল ৪ শতাংশ জমির মালিকানা পেয়েছে। সেই কারণেই কাজলসহ কয়েকজন ঘটনাস্থলে গিয়েছিল।

পরে স্থানীয় নেতাদের নিয়ে তাদের শাসন করা হয়েছে এবং ওইদিকে যেতে বারণ করা হয়েছে। কালীগঞ্জ থা’নার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইস’লাম জানান, অ’ভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতনদের অবহিত করা হয়েছে।