‘ধ’র্ষ’ণ’ বেড়ে যাওয়ার বড় কা’রণ ‘প’র্ন’গ্রা’ফি’: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশে ‘ধ’র্ষ’ণে’র’ ঘ’টনা বেড়ে যাওয়ার পেছনে ‘প’র্ন’গ্রা’ফি’কে”’বড় কারণ মেনে করছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সারাদেশে অব্যাহত ‘ধ’র্ষ’ণে’ ‘ক্ষো’ভ’-‘বি’ক্ষো’ভে’র’ মধ্যে রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে ব’ক্তব্যে এই অ’ভিম’ত প্র’কাশ ক’রেন।তথ্য প্রযুক্তির অবাধ দুনিয়ায় যে কোনো ক্ষেত্রে বিচরণ এখন অনেক সহজ হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে হাছান মাহমুদ বলেন, “ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমাদের কিশোররা-তরুণরা নানাভাবে ‘প”র্ন’ সা’ইট থেকে শুরু করে সব জায়গায় প্রবেশ করতে পারে। যদিও সরকার অনেকগুলো ‘প’র্ন’ সাইট ব’ন্ধ করে রেখেছে, কিন্তু অন্য কোনো সা’ইটের মাধ্যমে সেগুলোতে ঢুকতে পারে।

“সেখানে অন্য বিনোদনের প্লাটফর্ম আছে, যা আমাদের দেশের মুল্য’বোধের সাথে ‘সাং’ঘ’র্ষি”ক।’

যেগুলো আমাদের ছেলে-মেয়েরা দেখে থাকে এবং সেগুলো দেখে আমাদের ছেলে-মেয়েরা ‘প্রভা’বি’ত’ হয়। আজকের এই ঘট’নাগু’লোর পেছনে এটা একটি বড় কা’রণ।”

‘ধ’র্ষ’ণ’ ও নারীর প্রতি সহিংসতা ‘প্রতি’রোধে ‘আ’ই’ন’ ক’ঠো’র করার দাবি উঠেছে। তা করার আ’শ্বাসও সরকারের কাছ থেকে এসেছে।

তবে ‘আ”ই’ন’ কঠোর করলেই সম’স্যা’র চূ’ড়া’ন্ত সমা’ধান হবে না বলে মনে করেন হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, “আমি মনে করি, ‘আ’ই’ন’ ক’ঠোর করে বা ‘আ’ই”ন প্র’য়োগ করে এটি থেকে মুক্ত করা সহজ কাজ ‘ন’য়’। এটির জন্য আমাদের মনোজগতের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।”

অনুষ্ঠানে বিএনপিকে নিয়েও কথা বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

“আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিএনপি যখন সরকারের ‘বি’রু’দ্ধে’ আন্দো’লনের কথা বলছে, তখন তাদের দলের মধ্যে আন্দো’লন শুরু হয়ে গেছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাসায় প’চা ডিম ছু’ড়েছে তাদের নেতা’কর্মীরা। রিজভী আহমেদ কুড়িগ্রামে মি’টিং করতে গেছে, সেখানে তাদের দুই প’ক্ষ ‘মা’রা’মা’রি’ করে ‘মি’টিং প’ণ্ড করে দিয়েছে।”

“যারা নিজেদের দল সাস’মলাতে পারে না। যারা নিজেদের কর্মীদের কাছে অ’প্রিয়, তারা দেশের মানুষের কাছে কীভাবে প্রিয় হবে? তাদের এ সমস্ত বু’লি হচ্ছে ফাঁ’কা বু’লি,” বলেন তথ্যমন্ত্রী।

‘মনোনয়ন বাণিজ্যের’ কারণেই মির্জা ফখরুলের বাসায় ‘ঢি’ল’-‘ডি’ম ছো’ড়ার ঘ’টনা হতে পারে বলেও মনে করেন হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, “গত নির্বাচনে তিনশ আসনে নয়শ মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনও ঘটেনি, ভবিষ্যতেও ঘটবে কি না, ‘স’ন্দে’হ আছে।“পত্রপত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি, প্রথমে যে টাকা দিয়েছে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল, পরে আরেকজন বেশি দেওয়ায় তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।”