এবারের হজে খুতবা দেবেন মসজিদুল হারামের ইমাম

ইসলামি ইবাদতসমূহের মধ্যে হজের গুরুত্ব অপরিসীম। এক হাদিস অনুযায়ী হজকে বরং সর্বোত্তম ইবাদত বলা হয়েছে।(১১) তবে হজের এ গুরুত্ব বাহ্যিক আচার- অনুষ্ঠান থেকে বেশি সম্পর্কযুক্ত হজের রুহ বা হাকীকতের সাথে। হজের এ রুহ বা হাকীকত নিম্নে বর্ণিত পয়েন্টসমূহ থেকে অনুধাবন করা সম্ভব।

নতুন খবর হচ্ছে, জিলহজ মাসের নবম দিন আরাফার দিন। এই দিনটি মহান আল্লাহর কাছে সম্মানিত একটি দিন। হাজিরা এই দিন আরাফা প্রাঙ্গণের পর্বত ও এর আশাপাশে অবস্থান করেন। সেখানকার মসজিদে নামিরা থেকে একজন ইমাম সমবেত মুসলিমদের উদ্দেশ্যে খুতবা প্রদান করেন।

প্রতি বছর মসজিদুল হারাম বা মসজিদে নবিবর কোনো একজন ইমামকে নির্বাচন করা হয়। এই বছর মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শায়খ ড. বান্দার বিন আবদুল আজিজ বালিলা আরাফার প্রাঙ্গণে খুতবা প্রদান করবেন। আরাফা দিনের খুতবায় মুসলিমদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলা হয়। আরাফার দিন খুতবা দেওয়া সুন্নত।

ওই দিন জোহর ও আসরের নামাজ পড়ার আগে খুতবা শুরু করা হয়। জোহরের সময় জোহর ও আসরের নামাজ একসঙ্গে আদায় করা হয়। এরপর মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে এশার সময় আদায় করা হয়। নামাজ আগে ও পরের আদায়ের বিধান শুধুমাত্র এই দিনের জন্য প্রযোজ্য।

আরাফার দিন সূর্যাস্ত পর্যন্ত হাজিরা আরাফা প্রাঙ্গণে অবস্থান করেন। এরপর তাঁরা মুজদালিফার দিকে চলে যান। আরাফা প্রাঙ্গণে শুভ্র কাপড় হাজিদের অপূর্ব দৃশ্য সবার নজর কাড়ে। রেডিও, টিভি, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে আরাফার খুতবা সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।