মাহী বি চৌধুরী ও তার স্ত্রীর সম্পদের হিসাব তলব

বিকল্পধারা বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাহী বি চৌধুরী এবং তার স্ত্রী আশফা হক লোপার সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দিয়েছে দুর্নী’তি দমন কমিশন (দুদক)।

কমিশনের প্রধান কার্যালয় থেকে সম্পদের হিসাব চেয়ে পৃথক নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে সোমবার সংস্থাটির একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

সাবেক রাষ্ট্রপতি ড. এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ছেলে মাহী বি চৌধুরীর গুলশানের বারিধারার ঠিকানায় নোটিশটি পাঠানো হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, দুদ’ক আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৬ এর উপধারা (১) অর্পিত ক্ষমতাবলে নিজের এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের স্বনামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী এই আদেশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হলো। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা মিথ্যা বিবরণী দাখিল করলে দুদক আইনের ২৬ (২) উপধারায় তাদের বিরু’দ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট দুদকের জিজ্ঞাসাবাদে মাহী বি চৌধুরী দাবি করেন, জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সুযোগ নেই, অর্থপাচারেরও সুযোগ নেই। বাংলাদেশের বাইরে যদি আমার কোনো আয়-ব্যয় থাকে তা বৈধ আয় থেকেই হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে অর্থপাচার ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মাহী বি চৌধুরী আরও বলেন, একটি অভিযোগ এসেছে আমার নামে, সেই অভিযোগের প্রাথমিক তদন্ত করছে দুদক। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার জন্য আমার বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন ছিল। দুদক আমাকে তলব করেছে বলেই আমি অভিযুক্ত বা দোষী সেটা বলা যাবে না। অনেক সময় আমাদেরকে ধৈর্য ধারণ করতে হয় রাজনীতির কারণে। ধৈর্য ধারণ করলে সত্য উদ্‌ঘাটিত হবে, তা আমি বিশ্বাস করি।

একই অভি’যোগে তলব করা হলেও হাজির হননি মাহী বি চৌধুরীর স্ত্রী লোপা। মাহী বি চৌধুরী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে ২০১৯ সালের জুন মাসে তাদের বিরু’দ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।