করোনা না থাকলে আমার রান করার সম্ভাবনা আরো বেশি থাকত: লিটন

প্রথম ওয়ানডে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৭৬ রানের রেকর্ড ইনিংসের পরবর্তী ৮ ইনিংসে লিটন দাসের সংগ্রহ মাত্র ১০১ রান! এর মাঝে ‘ডাক’ তিনটি। একটাও ফিফটি নেই। দল থেকে বাদ পড়েছিলেন। সেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আবার দলে ফিরে ৮ ইনিংস পর বড় রান করলেন লিটন দাস।

এদিন দলের মহাবিপদের সময় ঠাণ্ডা মাথায় খেললেন ১০২ রানের মহাগুরুত্বপূর্ণ ইনিংস। ৭৮ বলে করেন পঞ্চাশ। পরের পঞ্চাশ করেন মাত্র ৩২ বলে। চার মেরেছেন মাত্র ৮টি। ম্যাচ শেষে স্টাইলিশ এই ব্যাটসম্যান শোনালেন তার স্বস্তির কথা। ম্যাচ শেষে লিটন বলেন, ‘দল থেকে বারবার বলা হচ্ছিল, প্রথম পাঁচ জনের কারো ৪০ ওভার পর্যন্ত ব্যাটিং করতে হবে।

সেই ব্যাপারটাই মাথায় ছিল, যেন অন্তত ৩০-৩৫ ওভার পর্যন্ত ব্যাটিং করতে পারি। আমি এমনিতেও ম্যাচের আগে একটু চাপে ছিলামই, অনেক দিন বড় স্কোর করতে পারছি না, একটা বড় রান করতে হবে। তখন অন্য প্রান্তে যখন দেখছি উইকেট পড়ছে, তখন একটা বাড়তি চাপ অনুভব করি।

দলকে এখান থেকে একটা বড় জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। সব মিলিয়ে আমি সামাল দিয়েছি।’ আসলেই চাপে ছিলেন লিটন। ওপেন করার জন্য দলে আছেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ, বাইরে অপেক্ষায় সৌম্য সরকার। তারপরও নির্বাচকেরা তার ওপরেই আস্থা রাখেন। লিটন জানালেন তাকে কতটা ভেবেচিন্তে খেলতে হয়েছে,

তিনি বলেন, “কন্ডিশনটা খুব একটা ব্যাটিং সহায়ক ছিল না। বলা চলে প্রথম ২০ ওভারে। কারণ, তখন আবহাওয়াও খুব একটা আমাদের দিকে ছিল না। একই সঙ্গে ওদের বোলাররাও তখন খুবই ভালো করেছে। একটা চিন্তা সেসময় কাজ করছে যে, উইকেট থাকতে হবে।”

লিটন আরও বলেন, ‘এই উইকেটে সেভাবে সব শট খেলার সুযোগ নেই। চেষ্টা করেছি ২০-২৫ ওভার পর্যন্ত নরম্যাল ক্রিকেট যেটা হয়, টেস্ট ক্রিকেটে যেভাবে খেলা চলে, সেভাবে ব্যাটিং করার জন্য। এর মধ্যে অনেক বল ডটও খেলেছি। নিজেকে একটা ব্যাপার বুঝিয়েছি, পরিস্থিতি আমার পক্ষে না।”

তিনি বলেন, “এখান থেকে বেরিয়ে আসতে ১০-১৫ ওভার বেশি খেলতে হবে। কোভিডের আগে আমি ভালো একটা মোমেন্টাম পেয়েছিলাম। কোভিড না হয়ে যদি পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকত তাহলে হয়তো আমার রান করার সম্ভাবনা আরও বেশি থাকত।’