স্বাস্থ্যবিধি মেনে হজ শুরু, মিনায় হাজীদের অবস্থান

হজ্ব বা হজ্জ বা হজ ইসলাম ধর্মাবলম্বী অর্থাৎ মুসলমানদের জন্য একটি আবশ্যকীয় ইবাদত বা ধর্মীয় উপাসনা। এটি ইসলাম ধর্মের চতুর্থ স্তম্ভ। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য জীবনে একবার হজ সম্পাদন করা ফরজ বা আবশ্যিক। গতকাল শনিবার (১৭ জুলাই) সকাল থেকে পবিত্র কাবা তওয়াফের মাধ্যমে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।

এবারই প্রথম পুরুষ অভিভাবক ছাড়া হজের নিবন্ধন করার সুযোগ পেয়েছেন সৌদি নারীরা। রাতে হাজীরা মিনায় কাটিয়েছেন। রাতযাপন শেষে হাজিরা রোববার সারাদিন সেখানেই থাকবেন। মিনাতে জোহর, আসর, মাগরিব, এশা ও ফজরের নামাজ আদায় করা মুস্তাহাব। এখান থেকে আগামীকাল সূর্যোদয়ের পর তারা যাবেন প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে আরাফাতের ময়দানে।

আরাফাতের ময়দানে অবস্থান হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা (ফরজ)। এরপর কুরবানিসহ কিছু আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শেষ হবে পবিত্র হজ। হজ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হিশাম আল সায়েদ বলেন, এবার প্রতি তিন ঘণ্টায় অন্তত ৬ হাজার হাজী পবিত্র কাবা তওয়াফের সুযোগ পাচ্ছেন। মহামারির কারণে সতর্কতার অংশ হিসেবে ৬ হাজার হাজির এক গ্রুপ তওয়াফ শেষ করার সঙ্গে সঙ্গেই জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে। এরপর অন্য আরো এক দল হাজি তওয়াফ করবেন।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যারা হজ পালন করছেন তাদের সবাইকে টিকা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের বয়স ১৮-৬৫ বছর। গত ৫ বছরে যারা হজ পালন করেননি এ বছর সেসব ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হজ করেননি ৫০ বছর বয়সি বা তার চেয়ে বেশি বয়সি ব্যক্তিদেরও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সৌদি গেজেট

কোভিড মহামরির কারণে গত বছর ও এ বছর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে পবিত্র হজ। গত বছর মাত্র ১০ হাজার মানুষকে হজ পালন করার অনুমতি পেয়েছিলেন। এর আগে প্রতি বছর প্রায় ২৫ লাখ মানুষ হজ করতেন। চলতি বছর ৫ লাখের বেশি মানুষ অনলাইনে হজ করার আবেদন করেন। সেখান থেকে কোভিড ভ্যাক্সিন প্রাপ্ত ৬০ হাজার মানুষকে হজের অনুমতি দিয়েছে সৌদি সরকার।