সাকিবের ব্যাটে ঘাম ঝরানো জয়ে সিরিজ বাংলাদেশের

দীর্ঘদিন পর ব্যাট হাতে ফর্মে ফিরলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। রানে ফিরেই জেতালেন দলকে। এমন ইনিংসের কথা নিশ্চয়ই সাকিব মনে রাখবেন অনেকদিন। এমন সময়ে রানে ফিরলেন যখন বাংলাদেশ হারতে বসেছিল। ১০৯ বলে ৯৬ রান করে অপরাজিত ছিলেন সাকিব। এই ইনিংসে ছিল ৮টি চারের মার। সাইফউদ্দিন অপরাজিত ছিলেন ২৮ রান করে।

তিন উইকেটের জয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ নিজেদের করে নিল টাইগাররা। শেষ চার ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ২৬ রান। সাকিব-সাইফউদ্দিন সেই রান তুলে নেন ১৯ বলেই। জিম্বাবুয়ের সিরিজে ফেরার চেষ্টা থামিয়ে ২-০তে এগিয়ে গেল তামিমের দল।

এর আগে ২৩ বলে ১৫ রান করে সিকান্দার রাজার শিকার হন আফিফ হোসেন। ওয়েসলি মাধেভেরের অফ স্পিন স্লগ সুইপ করে ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন মিরাজ। টাইমিং করতে পারেননি। মায়ার্সের ক্যাচে পরিণত হয়ে ১৫ বলে ৬ রান করে ফেরেন মিরাজ। সাকিব-মাহমুদউল্লাহর পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি ভাঙতে বোলিং আক্রমণের সেরা অস্ত্র ব্লেসিং মুজারাবানিকে ফেরান টেইলর।

অধিনায়ককে হতাশ করেননি পেসার। তার বাড়তি লাফানো বলে কাট করার চেষ্টায় কিপার রেজিস চাকাভাকে সহজ ক্যাচ দেন মাহমুদউল্লাহ, ভাঙে ৫৫ রানের জুটি। ৩৫ বলে তিন চারে ২৬ রান করেন মাহমুদউল্লাহ। ৫ রান করে চাকাভার হাতে রান আউটের শিকার হন মোসাদ্দেক। আয়েশী শটে বিপদ নিজেই ডেকে আনলেন মিঠুন।

কাভার থেকে ঝাঁপিয়ে ক্যাচ মুঠোয় জমালেন ওয়েসলি মাধেভেরে। মিঠুন ফিরলেন ২ রান করে। রান আউটের হাত থেকে বেঁচে যাওয়ার পর বেশিক্ষণ টিকলেন না লিটন দাস। রিচার্ড এনগারাভাকে পুল করে ছক্কায় ওড়ানোর চেষ্টায় ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন এই ওপেনার। চারটি চারে ৩৩ বলে ২১ রান করেন লিটন। থিতু হয়েও দুই ওপেনার পারলেন না ইনিংস বড় করতে।

বোলিংয়ে এসে দশম ওভারে তামিমকে থামান লুক জঙ্গুয়ে। পয়েন্টে ডাইভ দিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়কের ক্যাচ মুঠোয় জমান রাজা। ভাঙে ৩৯ রানের জুটি। ৩৪ বলে চারটি চারে ২০ রান করেন তামিম।