গণপরিবহন কম থাকায় ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ

কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে শহর ছেড়ে গ্রামের উদ্দেশ্য রওনা দিয়েছে ঘরমুখো মানুষ। ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়ক গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় সকাল হতে বেড়েছে যাত্রীদের চাপ। সে তুলনায় পরিবহন কম থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। আজ সোমবার (১৯ জুলাই) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা,

নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার যাত্রী ভিড় করছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশপথ চন্দ্রা ত্রিমোড়ে। শিল্প নগরী গাজীপুরের পোশাক কারখানা ছুটি হওয়ায় যাত্রীদের চাপ বেড়েছে বহুগুণ। গণপরিবহনের স্বল্পতার কারণে অনেকেই গরুবাহী ট্রাক ও পিকাপে যাচ্ছেন। বেলা যতো বাড়ছে যাত্রীদের চাপও বেড়েই চলছে।

এ সময় আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘রাজেন্দ্রপুর কারখানায় কাজ করি। ৬ দিন ছুটি হয়েছে। যাবো গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ। কিন্তু চন্দ্রা এসে বসে আছি দেড় ঘন্টা ধরে তবুও গাইবান্ধার কোনো গাড়ি পাচ্ছি না।’ সাহেব উল্লাহ যাবেন রংপুর। আবদুল্লাহপুর একটি পোশাক কারখানায় জব করে। ভেঙে ভেঙে এসেছে চন্দ্রা পর্যন্ত এখন গাড়ি না পেয়ে বসে আছেন। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, ‘এতো কষ্ট করে যাচ্ছি। লকডাউন যদি ২৩ তারিখ হতে আবারও দেয় তাহলে ঈদের পরের দিন চলে আসতে হবে।’

স্ত্রী স্বপ্নাকে নিয়ে পাবনার দিকে রওনা হয়েছে লিয়াকত আলী। লিয়াকত আলী রাজমিস্ত্রীর কাজ করেন। তিনি জানান, ৩০ মিনিট ধরে গাড়ি খোঁজ করে পাচ্ছেন না তিনি। যেগুলো গাড়ি পাওয়া যায় হয় বেশি ভাড়া, না-হয় মাঝ রাস্তায় নামতে হবে এমন গাড়ি। তবে সকাল থেকে তৎপর দেখা গেছে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যদের। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তারা কাজ করে যাচ্ছে যেন যানজট না লাগে।

এ ব্যাপারে কোনাবাড়ি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর গোলাম ফারুক জানান, শিল্পকারখানা ছুটি হওয়ায় মহাসড়কে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। সবগুলো প্রতিষ্ঠান ছুটি হলে আরও যাত্রীদের চাপ বাড়বে। তবে আমরা যানজট ও যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশিত করতে তৎপর রয়েছি। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে।