‘ডাবল সেঞ্চুরি’র অপেক্ষায় মাহমুদউল্লাহ

১৪ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন। এখন পর্যন্ত মিডল অর্ডারে দল তার দিকে তাকিয়ে থাকে। ব্যাটিং ধস নামলে সেটা সামাল দেওয়ার দায়িত্ব পড়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ওপর। পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম এই সুপারস্টার তার ক্যারিয়ারের ১৯৯ নম্বর ওয়ানডে খেলে ফেলেছেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেই ম্যাচ সাকিবের বীরত্বে জিতে যায় বাংলাদেশ। জিতেছে সিরিজ। আগামীকাল মঙ্গলবার তিনি আরেকটি মাইলফলকে পা রাখতে যাচ্ছেন। মাঠে নামলেই এটা হবে তার ২০০তম ম্যাচ।

২০০৭ সালের ২৫ জুলাই কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ওয়ানডে অভিষেক হয়েছিল মাহমুদউল্লাহর। ৭ বছর পর তিনি শততম ওয়ানডে খেলেন। সেটাও আবার ভারতের বিপক্ষে মিরপুরে। সেই ঘটনার আরও ৭ বছর পর তিনি ‘ডাবল সেঞ্চুরি’ করতে যাচ্ছেন। কাল মাঠে নামলেই মাহমুদউল্লাহ হবে দুইশ বা তার বেশি ম্যাচ খেলা পঞ্চম বাংলাদেশি ক্রিকেটার। পঞ্চপাণ্ডবের শেষ সদস্য হিসেবে মাহমুদউল্লাহ দুইশ ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করবেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটে মাহমুদউল্লাহ মহামূল্য একজন।

বাংলাদেশের হয়ে ২২৭ ওয়ানডে খেলে সবার ওপরে মুশফিকুর রহিম। এরপর মাশরাফি বিন মুর্তজা ও তামিম ইকবাল খেলেছেন ২১৮টি করে ম্যাচ। আর বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান খেলেছেন ২১৪টি। ১৯৯ ওয়ানডেতে ৪ হাজার ৪৬৯ রান করেছেন মাহমুদউল্লাহ। দেশের যা চতুর্থ সর্বোচ্চ। তিনি যে পজিশনে ব্যাটিংয়ে নামেন, সেখান থেকে এত রান করা সত্যিই কঠিন। উইকেট ৭৬টি, এখানে তিনি দেশের সপ্তম। আর ফিল্ডার হিসেবে নিয়েছেন সর্বোচ্চ ৬৯টি ক্যাচ। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান মাহমুদউল্লাহর সেঞ্চুরির সংখ্যা ৩টি।