টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে সকালে যানজট, বিকালে ধীর গতি

আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষ ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে সকালে ১৭ কিলোমিটার এলাকায় উত্তরবঙ্গমুখী লেনে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

সোমবার ভোর রাত থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুর পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে বিকালে থেকে এই মহাসড়কে ধীর গতিতে যানবাহন চলাচল করতে দেখা দেখা গেছে। গণপরিবহণের চেয়ে পণ্যবাহী ট্রাক এই মহাসড়কে বেশি চলাচল করছে।

মহাসড়কের রসুলপুর, পৌলি, এলেঙ্গা, আনালিয়াবাড়ী ও জোকারচর এলাকায় এমন চিত্র দেখা যায়। এলেঙ্গা গ্যাস পাম্পে কথা হয় ট্রাকচালক আজিম বেপারীর সঙ্গে। তিনি বলেন, গত তিন দিন যাবত এই মহাসড়কে ভোর রাত থেকে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এক কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগে।

মাইক্রোবাস চালক গোপাল মিয়া বলেন, গত রাতে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকা গিয়েছি তখন কোনো টাঙ্গাইল অংশে কোনো যানজট পাইনি। আজকে মহাসড়কে যানজট রয়েছে। গাড়ির তাপ ও ভ্যাপসা গরমে আমাদের খুব কষ্ট হচ্ছে। ঢাকা লেনে স্বাভাবিক থাকলেও উত্তরবঙ্গমুখী লেনে তীব্র যানজট রয়েছে।

হানিফ পরিবহনের চালক আলমগীর মিয়া বলেন, আমি পাবনা থেকে ঢাকা যাচ্ছি। সিরাজগঞ্জ থেকে টাঙ্গাইলের রসুলপুর পর্যন্ত উত্তরবঙ্গমুখী লেনে যানজট রয়েছে। তবে ঢাকামুখী লেনে গাড়ির চাপ থাকলেও স্বাভাবিক গতিতে চলতে পারছি।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, এলেঙ্গা থেকে সেতু পর্যন্ত মহাসড়কে অন্য স্বাভাবিক দিনে তুলনায় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ নেই বললেই চলে। কোথাও কোনো গাড়ি থেমে নেই। এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাতের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার বলেন, টাঙ্গাইল অংশে যানজট নিরসনের জন্য ৬০৩ জন পুলিশ মহাসড়কের কাজ করছে। এর বাইরেও প্রায় ২০০ হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে।