বেগমগঞ্জের ওসি হারুন ‘প্রত্যা’হার

নোয়াখালীর একলাসপুরে নারীকে ‘বি’ব’স্ত্র’ করে ‘নি’র্যাত’নে’র’ ঘটনায় বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি হারুন অর রশিদ চৌধুরীকে প্র’ত্যা’হার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসির প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার অতিরিক্ত পু’লিশ সুপার দীপক জ্যোতি খীসা।

তিনি বলেন, ডিআইজি অফিস থেকে পাঠানো পত্রে ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরীকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে চট্টগ্রাম রেঞ্জ অফিসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

নির্যাতনের ঘটনায় ওই নারী বাদী হয়ে রোববার রাতে নয়জনের নাম উল্লেখ করে বেগমগঞ্জ থা’নায় মামলা করেছেন।

আসামিরা হলেন- বাদল, মো. রহিম, আবুল কালাম, ইস্রাফিল হোসেন, সাজু, সামছুদ্দিন সুমন, আবদুর রব, আরিফ ও রহমত উল্যা। তাদের সবার বাড়ি বেগমগঞ্জে।

মামলার আসামি আবুল কালাম নারী ও শিশু নি’র্যাতন এবং ‘প’র্ণো’গ্রা’ফি’ আইনে করা দুই মা’মা’লা’য় স্বী’কারো’ক্তিমূলক জবা’নব’ন্দি দিয়েছে। মা’ম’লা’র আরেক আ’সা’মি শামসুদ্দিন সুমনের ৪ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

এর আগে, সুমনকে নোয়াখালী ১নং আমলি আদালতে হাজির করে দুই মামলায় ১০ দিনের রি’মান্ড আবেদন করে পু’লিশ। এছাড়া, নারী ও শিশু নি’র্যা’তন ‘মা’ম’লা’য় দেলোয়ার হোসেনকে শ্যোন এ্যা’রে’স্টের আবেদন করা হলে তা মঞ্জুর ‘কারা’গারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ‘ভুক্ত’ভোগী’ নারীর দায়ের করা অপর দুই মামলায় দেলোয়ারের নাম না থাকলেও ‘ধ’র্ষ’ণ’ মামলায় দেলোয়ারকে প্রধান আসামি করা হয়।

এদিকে, নারী নির্যা’তনে’র ঘটনায় পুলি’শের কোনো গাফলতি আছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্যে পুলি’শের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলার অতিরিক্ত পু’লিশ সুপার খালেদ ইবনে মালেকের নেতৃত্বে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশের কর্তব্যে কোনো গাফলতি আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।

এছাড়া, দেলোয়ার বা তার বাহিনীর কোনো সদস্যের সাথে পুলি’শের কোনো সদস্যের যোগাযোগ ছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখবে পুলিশ।

গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ৩৫ বছর বয়সী ওই গৃহবধূর বাড়িতে ঢুকে একদল যুবক তাকে ‘বি’ব’স্ত্র’ করে শারী’রিক’ভাবে ‘নি’র্যা’ত’ন’ চালায় এবং তার ভি’ডিও ধা’রণ করে। একমাস পর ৪ অক্টোবর ওই ভি’ডিও সামা’জি’ক যোগা’যোগ মাধ্যমে ‘ভা’ই’রা’ল’ হলে এলাকায় চাঞ্চ’ল্যের সৃষ্টি হয়।