ধ’’ র্ষ’ ণের শা’স্তি মৃ’ত্যুদ’ণ্ড হলেই কমবে না অ’প’রাধ

ধ’র্ষ’ণের সর্বোচ্চ শা’স্তি মৃ’ত্যুদ’ণ্ড করলেই এই ধরনের অ’প’রাধের মাত্রা কমবে বলে মনে করেন না অ’প’রাধ বিশ্লেষক ও মানবাধিকার কর্মীরা। তারা বলছেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগের পাশাপাশি আগে থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন। পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার ওপরও জো’র দেন তারা। থাকতে হবে রাজনৈতিক সদিচ্ছাও।

নারীর প্রতি সহিং’সতা ঘটছে অহরহই। গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় এলেই প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে পুরো দেশ। নড়ে চড়ে বসে প্রশাসন ও সরকার। অ’প’রাধীদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের অ’প’রাধের মূল উপড়ে দিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। পরিবারে মূল্যবোধের চর্চা বাড়াতে হবে। ইভ টিজিং, বখাটেপনা প্রতিরোধ এবং সর্বোপরি অ’প’রাধীদের পৃষ্ঠপোষকদের নজরদারিতে রেখে আগেই ব্যবস্থা নিতে হবে।

বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী অ্যাডভোকেট এলিনা খান বলেন, ‘নৈতিকতাবোধ মূল্যবোধ নিয়ে একটা কোর্স করানো উচিত। এছাড়া রাজনীতি আর প্রশাসনে যে দু’র্নীতি ঢুকে গেছে এটা মুক্ত না করা গেলে যুবসমাজকে সঠিক পথ রাখা যাবে না।’

অ’প’রাধ বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান জানান অ’প’রাধীরা প্রভাবশালী হওয়ায় অনেক সময় কোন পদক্ষেপই নিতে চান না ভুক্তভোগী ও পু’লিশ। তাই প্রশাসনের নজরদারি ও সার্বিক নিরাপত্তার উন্নয়নের মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিতের তাগিদ তাদের।