কমলগঞ্জে হলুদ তরমুজ চাষ করে সফল আব্দুল মতিন

আব্দুল মতিন। পেশায় একজন কৃষক। বাড়ি কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুরে এলাকায়। নিজে গ্রাম হতে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে পাত্রখোলা এলাকায় ২ বিঘা জমি লিজ নিয়ে গড়ে তোলেন বিশাল কৃষি খামার। তার এ খামারে ব্ল্যাকবেবি, মধুমালা ও লালতীর ল্যানফাই জাতের হলুদ তরমুজ চাষ করে জেলায় সাড়া ফেলে দিয়েছেন। মাত্র ৪০ হাজার টাকা ব্যয়ে করে লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করে তিনি এখন লাখপতি।

তার সাফল্য দেখে খোদ কৃষি বিভাগই বিস্মিত। প্রতিসপ্তাহে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মৌলভীবাজার বিভিন্ন কর্মকর্তারা খামার পরির্দশন করতে আসেন। কৃষি বিভাগ আশা করছে, আব্দুল মতিনের হলুদ তরমুজ সারা জেলায় ছড়িয়ে পড়বে। উপজেলার আদমপুরের সফল কৃষক আব্দুল মতিন জানান, মাধবুপর ইউনিয়নের পাত্রখোলা এলাকার দুই বিঘা জমিতে এই তিন জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। তিন জাতের তরমুজ চাষ করতে এখন পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা।

এরই মধ্যে তিনি ফল বিক্রি করা শুরু করেছেন। আর তরমুজ বিক্রি করেছেন ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মতো। তিন জাতের মধ্যে হলুদ রঙের লালতীরের হাইব্রিড ল্যানফাই জাতটির সর্বাধিক ফলন হয়েছে। ফলের ওজন এবং আকারে সবাইকে আকর্ষণ করেছে। শুধু আকার নয় এর স্বাদ অসাধারণ। মধুর মতো মিষ্টি। বাজারে দরও ভালো পাচ্ছেন। মাঠে যে পরিমাণ ফলন রয়েছে এতে তিনি আরও দেড় থেকে দুই লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবেন বলে আশাবাদী।