ফাঁ’সির আসামী মিন্নির জে’লখানায় বসেও এবার নতুন আবদার

আয়েশা সি’দ্দিকা মিন্নি। বয়স সবে ২০’র কোঠায়। এর মধ্যে ফাঁ’সি’র দ’ণ্ডা’দেশ পেয়ে থা’না হা’জতে অবস্থা’ন করছেন তিনি। এই মা’ম’লায় মোট ছয়’জনের মৃ’ত্যু’দ’ণ্ডের আদে’শ দিয়ে’ছে আ’দালত।

এর মধ্যে রয়ে’ছে মিন্নিও। আর এই আদে’শে’র ফলে এক অ’নি’শ্চিত গ’ন্তব্যে পৌঁ’ছেছেন মিন্নিতিনি নিজেও জানেন নাআর কখ’নো স্বাভা’বিক জীবনে ফিরে আসতে পারবেন কিনা। আস’লেও সেই সময় ও সুযো’গ পু’নরায় হবে কিনা!

এদিকে চ’লতি বছরের আগস্ট মাসে প্রকাশি’ত হয় মি’ন্নির ডি’গ্রি পরী’ক্ষার রেজাল্ট। যেখানে সাত বিষ’য়ের চারটি’তেই ফেল করে’ছেন তিনি। সেই রে’জাল্টে মিন্নি স্বাধীন বাংলা’দেশের অ’ভ্যু’দ’য়ের ইতিহাস বিষয়ে পে’য়েছেন ডি গ্রে’ড।

রাষ্ট্রবি’জ্ঞান প্রথম পত্রে পেয়ে’ছেন সি গ্রেড। ইস’লামের ইতিহাস প্রথম পত্রে পান সি গ্রেড। আর রাষ্ট্র’বি’জ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, ইস’লামের ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, অর্থনী’তি প্রথম এবং দ্বি’তীয় পত্রে পাস করে’ননি। ওইস’ময় অবশ্য এ বিষয়ে মিন্নি’র বাবা মো. মোজা’ম্মেল হোসেনে কি’শোর বলে’ছিলেন, মিন্নি কা’ঙ্ক্ষিত ফলাফল করতে পারেনি।

তার যে অবস্থা তাতে কা’ঙ্ক্ষিত ফ’লাফল অ’র্জন করা সম্ভবও নয়। ওইসময় কি’শোর ও আশা প্রকাশ ক’রেছিলেন, আগামী’বার অবশ্যই আমা’র মে’য়ে ভালো করবে।

তবে সেই ভালো করা আর হলো কই? মিন্নি এরই মধ্যে ফাঁ’সির আ’দেশ পেয়ে থা’না হাজ’তে অবস্থান করছেন।ফলে ভ’বিষ্য’তে আর কখনো তার ডিগ্রি পাস করা হবে কিনা; তা নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সংশয়। তবে এক হিসাবে দেখা গেছে, স্বাধী’নতার পর থেকে শতা’ধিক নারী’র ফাঁ’সির আদেশ হয়েছে।

কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো নারী’র ফাঁ’সি কার্যকর হয়নি।তা’দের মধ্যে অনে’কেই দীর্ঘ’দিন কা’রাভোগ করার পর বেরি’য়ে গেছে। কেউ কেউ মা’রা গেছে, কা’রো কা’রো আপি’লে শা’স্তি কমেছে।

আর মি’ন্নির ক্ষেত্রে’ যদি শা’স্তি কমে; সে’ক্ষেত্রে’ হয়ত ডিগ্রি পাস করতে পারে’ন তিনি।এদিকে কারা সূত্রে জানা গেছে, কা’রা’গা’রগুলোতে ফাঁ’সি’র দ’ণ্ডপ্রাপ্ত নারী’দের মধ্যে কেউ কেউ ১০-১৫ বছর ধরে ক’ন’ডেম সে’লের বাসিন্দা।

দেশে বহু পুরুষ আ’সামি’র ফাঁ’সি কার্য’কর হলেও কোনো’ নারী আ’সামি’র ফাঁ’সি কার্যকর হয়েছে, এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। সেক্ষেত্রে দী’র্ঘদিন কা’রা’ভোগের পর ডিগ্রি পাস করা মিন্নির জন্য অ’ত্যন্ত কঠিন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ২৬ জুন বর’গুনা সরকারি কলেজের সাম’নে রিফাত শরী’ফকে তার স্ত্রী’’ মিন্নির সামনে কু‌‌’পিয়ে জ’খ’ম করে নয়ন ব’ন্ডের গড়া কি’শোর গ্যাঙ ‘ব’ন্ড গ্রুপ’।

পরে বি’কেলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল ক’লেজ হাসপাতা’লে মা’রা যান রিফাত। মা’মলার স্বাক্ষী থেকে পু’লিশি ত’দন্তে আ’সামি হয়ে গেলেন রিফাত শরীফের স্ত্রী’’ আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। গ্রে’প্তারও করা হয় তাকে।

এরপর আবার হাই’কোর্ট থেকে জামি’নে মু’ক্তি মেলে। তবে এবার মৃ’ত্যুদ’ণ্ডের রায় ঘোষ’ণা হলো তার বি’রু’দ্ধে। রায়ে মিন্নি’কে এ হ’ত্যা’কা’ণ্ডের মা’স্টারমা’ইন্ড হিসে’বে চিহ্নি’ত করেছেন আ’দালত। ফলে আবা’রো তার স্থান হলো কা’রা’গারে। তাও আ’বার ক’নডে’ম সে’লে।