গায়ে গ’রম তেলের ছিটা প’ড়লে স’ঙ্গে স’ঙ্গে যা করবেন!

রান্না করার সময় প্রায় প্রতিদিনই শ’রীরের কোথাও তেলের ছিটা লাগে। এতে অনেক সময়ে হাত পা পুড়ে পর্যন্ত যায়। কিন্তু এমন অব’স্থায় কি করবেন বুঝে না পেয়ে অনেকেই ভুল করে বসেন। প্রাথমিক ভাবে সবাই প্রথমে বরফ লা’গান। কিন্তু সেটা একেবারেই ঠিক নয়।

কারণ বরফ র’ক্তের প্রবাহকে রো’ধ করে এবং ত্বকের চামড়াকে সংকুচিত করে। ফলে আরো অনেক বেশি খা’রাপ অবস্থা হয়ে যায়। তবে ঠাণ্ডা পানি দিতে পারেন। এছাড়াও জে’নে নিন আরো কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়।

ভিনেগার

পানির স’ঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে তাতে একটা রুমাল বা প’রিষ্কার কাপ’ড়ের টুকরা ভিজিয়ে পুড়ে যাওয়া অংশে কিছুক্ষণ রাখু’ন। কয়েকবার এইরকম করুন। জ্বা’লা যদি খুব বেশি হয় তা হলে আরো বেশিবার করুন, দেখবেন কিছুক্ষণ পরে য’ন্ত্রণা কমে যাবে।

মধু ও দুধ

প্রাকৃতিক ঔষধ হিসেবে মধুর কোন বিকল্প নেই। ক্ষ’তস্থানের ক্ষ’তিকর ব্যাকটেরিয়াকে দূ’র করা সহ ব্য’থা কমাতেও সাহায্য করে মধু। দুধও একই কাজ করে। আর দুধ লা’গালে সেটা রেখে দিন ১৫ মিনিট পর্যন্ত।

অ্যালোভেরা

পো’ড়া অংশে স’ঙ্গে স’ঙ্গে অ্যালোভেরা লা’গালে জায়গাটা খুব তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হয়ে যাবে আর জ্বা’লাও কমে যাবে।

কলার খোসা

কলার খোসা পোড়া জায়গায় লা’গালেও আরাম পাওয়া যায়। কলার খোসা পোড়া অংশে লা’গিয়ে রাখু’ন যতক্ষণ না খোসা কালো হয়ে যাচ্ছে। টকদই লা’গালেও অনেক সময় ভাল লাগে কিন্তু পুড়ে যাওয়ার অন্ত’ত ৩০ মিনিট পরে এটা লা’গানো উচিত। অলিভ অয়েল লা’গালেও আরাম পাবেন।

তেল

তেলের ছিটা লা’গা স্থানের জন্য নারিকেল তেল বেশ উপকারি একটি জিনিস। নারিকেল তেলে রয়েছে ভিটামিন ই আর ফ্যাটি এ্যাসিড। যেটা কিনা ফাঙ্গাস আর ব্যাকটেরিয়া থেকে দূ’রে রাখে। আর দাগ কমাতে নারিকেল তেলের সাথে খানিকটা লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন দাগের উপরে লা’গাতে হবে। এছাড়াও ল্যাভেন্ডার তেল কিংবা চা গাছের তেলও লা’গাতে পারেন।

টি ব্যাগ

টি ব্যাগে ট্যানিক অ্যাসিড থাকে। আর এই ট্যানিক অ্যাসিড চামড়ার গরমকে নিজে’র ভেতরে শোষণ করে নিয়ে পুড়ে যাওয়া জায়গাটিকে ঠাণ্ডা করে তোলে। ফলে ব্য’থা কমে যায় অনেকখানি। তেলের ছিটা লাগলে তাই সাথে সাথে দু-তিনটি টি ব্যাগ নিয়ে ঢালুন চামড়ায়।