আদালতে মামলা করায় থানায় নিয়ে রাতভর ওসির নির্যাতন

পটুয়াখালীর দুমকিতে জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবনের পলেস্তারা ধসে এক শিক্ষক আহত হয়েছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার মুরাদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক রয়েছেন চরম আতঙ্কে।

আহত শিক্ষক মো. ইউসুফ আলী জানান, প্রতিদিনের মতো সহকর্মী শিক্ষক-কর্মচারীদের সঙ্গে অফিস কক্ষে বসা অবস্থায় আকস্মিক জরাজীর্ণ ছাদ ও বিম থেকে অনেকাংশ পলেস্তার খসে আমার কাঁধে পড়ে। এতে সামান্য আহত হলে সহকর্মী শিক্ষকরা আমাকে স্থানীয় ফার্মেসিতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার পর বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

ওই বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানায়, স্কুলের ছাদের বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ে লোহার রড বের হয়ে গেছে এবং প্রায় সময়ই ধসে পড়ছে। আমরা সব সময় ভয়ে থাকি, কখন যেন মাথার ওপর ভেঙে পড়ে। তাই ক্লাশে মনোযোগ দিতে পারি না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নূর মোহাম্মদ বলেন, দুর্ঘটনার সময় আমি স্কুলে ছিলাম না। পটুয়াখালীতে একটি মিটিংয়ে ছিলাম। মিটিংয়ে থাকা অবস্থায় ফোনে পলেস্তারা ধসের খবর পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয় ভবনটি অত্যন্ত পুরাতন ও ব্যবহার অনুপোযোগী হলেও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে ব্যবহার করতে হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করাচ্ছি। এ ভবনটি এখন পরিত্যক্ত হয়ে গেছে, একটি নতুন ভবন অত্যন্ত জরুরি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বদরুন নাহার ইয়াসমিন জানান, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। বিদ্যালয় ভবনটি অনেক পুরানো ও ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দুমকি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ বলেন, পলেস্তারা ধসের খবর পেয়েছি। পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।