কীভাবে বিড়ি টান দিতে হবে শিখিয়েছিলেন এ টি এম ভাই: ববিতা

এ টি এম শামসুজ্জামান ও ববিতা। মোহাম্মদ আল-মাসুম মোল্লাবর্ষীয়ান অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান আজ শনিবার সকালে মারা গেছেন।

তার মৃত্যুতে শোকের ছাড়া নেমে এসেছে শিল্পীদের মাঝে। দীর্ঘদিন তার সঙ্গে কাজ এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে কথা বলেছেন অভিনেত্রী ববিতা।

তিনি বলেন, ‘আমার বয়স তখন ১০ বা ১২। সুচন্দা আপা সবেমাত্র সিনেমায় কাজ শুরু করেছেন। আমরা সেসময়

থাকতাম গেন্ডারিয়ায়। তখন থেকেই এ টি এম শামসুজ্জামান ভাইকে দেখি আমাদের বাসায় আসতে, সিনেমার শুটিংয়ে।

সেই থেকে সম্পর্ক। তার সঙ্গে কত শত স্মৃতি। সেসব বলে শেষ করা যাবে না। তিনি যখন নারায়ণ ঘোষ মিতার ছবিতে

কাজ করেন তখন সম্ভবত স্ক্রিপ্টও লিখতেন। আমি ভালো কাজ করলে ফোন করে প্রশংসা করতেন।কীভাবে অভিনয়

করলে আরও ভালো হবে সেই উপদেশও দিতেন। এতো গুণী শিল্পী। অভিনয়টা ছিল তার রক্তেই। তাই যেকোনো চরিত্রে সহজেই মানিয়ে নিতে পারতেন।’

ববিতা বলেন, ‘নয়ন মনি, গোলাপী এখন ট্রেনে, ম্যাডাম ফুলি, লাঠিয়ালসহ অসংখ্য ছবিতে তার সঙ্গে কাজ করেছি। তার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুবই ভালো ছিল।

যখন তিনি হাসপাতালে ভর্তি হলেন, তখন আমরা তিন বোন হাসপাতালে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় কাটিয়েছি। সবই আজ স্মৃতি।’

‘গোলাপী এখন ট্রেনে ছবিটাতে কাজ করার সময় কীভাবে বিড়ি টান দিতে হবে শিখিয়েছিলেন এ টি এম ভাই। তার একটা বড় গুন ছিল, কোনো দৃশ্যে অভিনয় করার কথা না থাকলেও তিনি শুটিং স্পটে থাকতেন।

পুরো শুটিংয়ের সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন। যাতে করে পুরো গল্পের সঙ্গেই তিনি থাকতে পারেন। এতটা ডেডিকেশন খুব কম শিল্পীরই থাকে’, যোগ করেন তিনি।

ববিতা আরও বলেন, ‘আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, যেনো আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করেন।’সুত্রঃ ডেইলি স্টার

আরো পড়ুন-এটিএম শামসুজ্জামান আর নেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন বরেণ্য অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান। সূত্রাপুরের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে কোয়েল আহমেদ।

শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ০৬ মিনিটে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কোয়েল আহমেদ বলেন, ‘আব্বা আর নেই। আব্বা আর নেই। শুক্রবার বিকেলে আব্বাকে বাসায় নিয়ে আসছিলাম। উনি হাসপাতালে থাকতে চাইছিলেন না। তাই বাসায় নিয়ে আসছিলাম। আমি রাত ২টা ৩০ মিনিটে আব্বার বাসায় আসছি।’