যদি অতিরিক্ত চুল পড়ে তাহলে মাখু`ন অত্য’ন্ত কা’র্যকরী এই মিশ্রণটি!

সৌন্দর্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে পোশাক ও সাজসজ্জার মতো চুলের গু’রুত্ব কোনো অংশেই কম নয়। তবে বা’ধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে অকালে চুল পড়ে যাওয়া। বেশির ভাগ সময় মাথার সামনের দিক থেকে চুল পড়ছে, ফলে কপাল চওড়া হচ্ছে। এ নিয়ে অনেকের চিন্তার শেষ নেই।

স্বা’স্থ্য ও জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের প্র’তিবেদনে বলা হয়েছে, চিকি’ৎসকদের মতে বংশগত কারণে, থাইরয়েডের স’মস্যা, আয়রন বা ক্যালসিয়ামের অভাব, খাদ্যে পুষ্টিগুণের অভাব, বিভিন্ন ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও হরমোনের ভারসাম্য ঠিক না থাকায় চুল পড়ে যেতে পারে।

কারণ যা-ই হোক, চুল পড়ে যাওয়া আ’টকানোর সমাধান দরকার। চলুন ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে চুল পড়ে যাওয়া স’মস্যার সমাধান করা যায়, তা জে’নে নেওয়া যাক :

নারকেল তেল, মেথি ও কালোজিরার মি’শ্রণ

প্রথমে মেথি ও কালোজিরাকে কড়া রোদে শুকিয়ে নিন। তারপর দুটো একস’ঙ্গে গুঁড়া করে নিন। এরপর নারকেল তেলের স’ঙ্গে গুঁড়া করা মেথি ও কালোজিরার মি’শ্রণকে কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিন। মি’শ্রণটি ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ার পর একটি কাচের বোতলে অনায়াসে ১৫ থেকে ২০ দিন রেখে দিতে পারেন। মি’শ্রণটি চুলে লা’গানোর আগে এর স’ঙ্গে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল মিশিয়ে মাথার ফাঁকা স্থানে লাগিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার লা’গাবেন। চুল পড়া রো’ধে এটি কা’র্যকর।

নিমপাতার রস

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিমপাতা এমন একটি প্রাকৃতিক জী’বাণুনাশক, যা নতুন চুল গজাতে এবং চুল পড়া ব’ন্ধ ক’রতে সাহায্য করে। পাশাপাশি চুলের গোড়ার যাবতীয় স’মস্যা দূ’র ক’রতে এবং খুশকি দূ’র ক’রতেও সাহায্য করে। নিমপাতা ভালো করে ধুয়ে পেস্ট করে নিন। এরপর সেই পেস্ট থেকে রস বের করে মাথার পুরো অংশে, চুলের গোড়াতে লা’গিয়ে ম্যাসাজ করুন। রস বের না ক’রতে চাইলে বেটে নিয়েও পেস্টটি সরাসরি লা’গাতে পারেন। কমপক্ষে ৩০ মিনিট লা’গিয়ে রাখু’ন, তারপর হালকা গরম পানি ও শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে নিন। এভাবে সপ্তাহে অন্ত’ত তিন থেকে চার দিন করুন। চুল পড়ার স’মস্যা দূ’র ক’রতে এটি কা’র্যকর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থায়ীভাবে চুল পড়া রো’ধ ক’রতে অগোছালো জীবনযাত্রার পরিবর্তন ক’রতে হবে। পর্যাপ্ত ঘুম, পরিমাণমতো পানি পান ও সময়মতো খেতে হবে, তবেই চুল পড়া রো’ধ করা সম্ভব।