মায়ের লা’শ দেখে মা’রা গে’লেন মে’য়ে, মে’য়ের শো’কে বাবারও মৃ’ত্যু

কুষ্টিয়ার মিরপুরে মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে মা-বাবা ও মে’য়ের মৃ’ত্যু হয়েছে। পরপর তিনজনের মৃ’ত্যুতে এলাকায় শো’কের ছায়া নেমে এসেছে।
মৃ’তরা হলেন- মিরপুর উপজেলার ধুবাইল ইউপির গোবিন্দগুনিয়া গ্রামের লালন মল্লিক, তার স্ত্রী আনজেরা খাতুন ও মেয়ে আঙ্গুরী খাতুন।

স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন আনজেরা খাতুন। শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে তিনি বাড়িতে মা’রা যান। শনিবার সকাল ৯টায় গোবিন্দগুনিয়া ক’বরস্থা’নে তাকে দা’ফন করা হয়। এদিকে মায়ের ম’রদে’হ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মেয়ে আঙ্গুরী খাতুন। পরে স্বামী মক্কেল আলীর বাড়ি মিরপুর পৌরসভার নওয়াপাড়ায় স্বা’মী গিয়ে একপর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে বেলা ১১টার দিকে আঙ্গুরীও মারা যান।

মেয়ের মৃ’ত্যুর খবর শুনে নিজ বাড়িতেই বেলা সাড়ে ১১টায় মা’রা যান লালন মল্লিক। মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মা, মেয়ে ও বাবার এমন মৃ’ত্যুতে হতভম্ব এলাকাবাসী।

এরইমধ্যে তিনজনের দা’ফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টায় গোবিন্দগুনিয়া ক’বরস্থা’নে দা’ফন করা হয় লালন মল্লিকের স্ত্রী আনজেরা খাতুনকে, দুপুর ২টায় পৌরসভার নওয়াপাড়া ক’বরস্থা’নে দা’ফন করা হয় তার মেয়ে আঙ্গুরী খাতুনকে এবং বিকেল ৫টায় গোবিন্দগুনিয়া ক’বরস্থা’নে দা’ফন করা হয় লালন মল্লিককে।

ধুবাইল ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম বলেন, এটা খুবই ম’র্মা’ন্তিক ঘ’টনা। দীর্ঘদিন ধরে হার্টের সম’স্যায় ভুগছিলেন আনজেরা খাতুন। শুক্রবার রাতে মা’রা যান তিনি। সকাল ৯টায় তাকে দাফ’ন করা হয়। বেলা ১১টায় জানতে পারি তার মেয়ে আঙ্গুরী খাতুন মা’রা গেছেন। কিছুক্ষণ পরেই জানতে পারি স্ত্রী ও মেয়ের শো’কে নিজ বাড়িতে মা’রা গেছেন লালন মল্লিক।