মশাকে দূরে রাখবে যেসব গাছ!

জমে থাকা পানিতে মশার জ’ন্ম হয়। তবে এমন কিছু গাছ আছে যা বাসার আঙিনায় থাকলে মশা আসবে না। আজই জে’নে নিন সেই গাছগুলো কী কী…
তুলসী

এই গাছের উপকারী পাতা অনেক কাজে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধ’রনের শা’রীরিক উপকারিতাসম্পন্ন এই পাতার আরও বড় উপকারিতা হলো, এই গাছ ও গাছের পাতা মশাকে তাড়াতে কাজ করে। তুলসী পাতায় প্রাকৃতিক একধ’রনের ঘ্রাণ রয়েছে, যা মশা সহ্য ক’রতে পারে না। এই গাছ ঘরের এমন জায়গায় রাখু’ন যেখানে মশা বেশি প্রবেশ করে।

ক্যাটনিপ…..এই গাছে এক প্রকারের প্রাকৃতিক উদ্ভিজ কেমিক্যাল রয়েছে, যা বিড়ালের পছন্দ এবং মশা, মাছি, পোকামাকড়কে দূ’র করে।

এই গাছ পোকামাকড় তাড়ানোর উপাদানের চাইতেও বেশি কা’র্যকর। আলো-বাতাস আসে এমন স্থানে খুব সহজেই এই গাছ বেড়ে ওঠে।

পুদিনা পাতা..রান্নাঘরের জা’নালায় বা বারান্দায় যে পুদিনা গাছটি আছে, সেটা শুধু রান্নার স্বাদই বাড়ায় না, পাশাপাশি আপনাকে মশার হাত থেকেও র’ক্ষা করে।

দ্রুত বেড়ে ওঠা এই গাছের পাতা থেকে তৈরি তেল মশাকে দূ’রে রাখবে। এ ছাড়া মশা কা’মড় দেওয়া স্থানে পুদিনা পাতা ছেঁচে ম্যাসাজ করলেও আরাম পাওয়া যাবে।

লেমন বাম…এই গাছটি দে’খতে অনেকটা পুদিনা পাতার মতো, তবে পুদিনা পাতা নয়। একেবারে অযত্নেও এই গাছটি খুব দ্রুত বেড়ে ওঠে।

সেইজ….সেইজ গাছ অনেকটা তুলসীর মতো। এই পাতার ধোঁয়া মশা দূ’র করে। ঘরে সন্ধ্যার সময়ে কয়েকটি সেইজ পাতা পুড়িয়ে ধোঁয়া করলে সুমিষ্ট গন্ধ থাকবে ও মশাও দূ’র হবে।