এই বছরটা অ’ভিশপ্ত, আমি আর নিতে পারছি না: জয়া

প্রয়াত খ্যাতনামা ফ্যাশন ডিজাইনার শর্বরী দত্ত। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি মা’রা যান। সকাল থেকেই নাকি শর্বরী দত্তের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন অনেকে। কিন্তু কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। রাতে তার ব্রড স্ট্রিটের বাড়ির শৌচাগার থেকে দেহ উ’দ্ধার করা হয়। তার মৃ’ত্যুর খবর প্রকাশে আসতেই শোকের ছায়া ছড়িয়ে পড়ে শাসন ও বিনোদন জগতে। বহু তারকা তার মৃ’ত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।অ’ভিনেত্রী জয়া আহসান ভা’রতীয় গণমাধ্যমকে বলেন, শর্বরী দত্তর মৃ’ত্যুর খবর পেয়ে তিনি খুবই আ’ঘাত পেয়েছেন। বেশ কিছুক্ষন স্তব্ধ হয়ে ছিলেন খবরটা পাওয়ার পরে।

জয়া বলেন, বাড়ির শৌচালয় শর্বরী দত্তের দেহ উ’দ্ধার করা হয়েছে এই খবরটি পেয়ে স্তব্ধ হয়ে যাই। পরে জানতে পারি তার স্ট্রোক হয়েছে। এই বছরটা অ’ভিশপ্ত। কত সৃজনশীল মানুষরা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। আমি আর নিতে পারছি না।

জয়া আহসান আরো বলেন, দিদি আমায় মিষ্টি মেয়ে বলে ডাকতেন। বাংলাদেশের রান্নার রেসিপি শেয়ার করতে বলতেন। পুরুষদের ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে তিনি ছিলেন কিংবদন্তি। বলিউডের অ’ভিনেতারা কলকাতায় আসলেই তার স্টোরে যেতেন। তার ডিজাইন করা পোশাক কি পরতে চাইতেন না? পুরুষ ও মহিলা উভয়ের পোশাক ডিজাইনিং-এ তিনি ছিলেন অসামান্য। তার চলে যাওয়া ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি তে বড় শূন্যতা তৈরি করে দিল।

পুরুষদের ট্রাডিশনাল পোশাক ডিজাইনিং এর জন্য সারা ভা’রতবর্ষে তিনি ছিলেন খ্যাতনামা। শর্বরী দপ্তর ডিজাইন করা পোশাক পরেছেন জগজিৎ সিং, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, অ’ভিষেক বচ্চন, বিজয় মাল্য, লিয়েন্ডার পেজ, কপিল দেব, বাইচুং ভুটিয়াসহ আরো অনেকে।

ফ্যাশন ডিজাইনিং ছাড়াও আরো একটি পরিচয় রয়েছে ফ্যাশন ডিজাইনারের। তিনি বাংলার কবি অজিত দত্তের মেয়ে। ছোটবেলা থেকেই কবিতা, গান, নাচ,‌ শিল্প-সংস্কৃতি চর্চার মধ্যে বড় হয়েছিলেন শর্বরী দত্ত। তিনি স্নাতক পড়েছিলেন প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।