‘লু’ঙ্গি’টা’কে’ ‘কোঁ’চা’ ‘মা’র’লো’ রাকিব, তারপর বাসর ঘর থেকে ‘চি’ৎকা’র’ করে মাকে ‘ডে’কে’ বললো, ‘কু’ড়া’ল’টা’ আন তো মা!

‘লু’ঙ্গি’টা’কে’ ‘কোঁ’চা’ ‘মা’র’লো’ রাকিব, তারপর বাসর ঘর থেকে ‘চি’ৎকা’র’ করে মাকে ‘ডে’কে’ বললো, ‘কু’ড়া’ল’টা’ আন তো মা!মা অবাক হয়ে বললো, এতো রাতে ‘কু’ড়া’ল’ দিয়ে কি করবি আমার বাপ? গাছের ‘ডা’ল’ ‘কে’টে’ ‘ফে’ল’বো’। ‘শা’লা’ ‘ম’ট’ম’ট’ ‘আ’ও’য়া’জ’ করছে কেন? মা ‘কু’ড়া’ল’ এনে দিলেন। রাকিব ‘লা’ফি’য়ে’ গাছে উঠে গেলো।

রাকিবের ‘বি’ধ’বা’ মা রাকিবের জন্য মেয়ে দেখছেন। একমাত্র ছেলের জন্য শান্তশিষ্ট মেয়ে খুঁজছেন তিনি। পাশের গ্রামের এক মেয়ের খোঁজ পাওয়া গেলো। দেখেশুনে বেশ পছন্দ হলো। আশেপাশে খোঁজ নিয়ে জানা গেল এমনিতে কোন ‘স’ম’স্যা’ নাই তবে মেয়ে খুব ‘পাঁ’জি’।বাপের একমাত্র মেয়ে হওয়ায় বেশ ‘আ’হ’লা’দী’। রাকিবের মা এ খবর শুনে ‘পি’ছি’য়ে’ এলো, কিন্তু রাকিব বললো, সে এই ‘পাঁ’জি’ মেয়েকেই বিয়ে করতে রাজি। ‘বি’ধ’বা’ মা বুঝিয়ে শুনিয়েও ছেলের অমতের ‘বা’ই’রে’ যেতে পারলেন না।

নির্দিষ্ট দিনে বিয়ে হয়ে গেলো।মেয়ের নাম জরি।জরি মনে মনে ‘প’ণ’ করে রেখেছে আজ রাতেই জামাইকে ‘সা’ই’জ’ করে ফেলতে হবে যাতে ভবিষ্যতে ট্যা ‘ফু’ করতে না পারে!বাসর ঘরে ঢোকার আগে রাকিব জরিকে শুনিয়ে শুনিয়ে তার মাকে বললো, মা বাসর ঘরে আমাকে যেন ‘ডি’স্টা’র্ব’ না করে, করলে কিন্তু ‘ডা’ই’রে’ক্ট’ ‘খু’ন’ করে ‘ফে’ল’বো’!

জরি অবাক হয়ে ভাবতে লাগলো বাসর রাতে আবার কে ‘ডি’স্টা’র্ব’ করবে! রাকিব গম্ভীর হয়ে বউয়ের আঁচল সরাতেই ঘরের চালে সামান্য আওয়াজ হলো। রাকিব ‘চি’ৎ’কা’র’ করে বললো, আওয়াজ করে কোন ‘হা’রা’ম’জা’দা’! ‘ডা’ই’রে’ক্ট’ ‘খু’ন’ করে ফেলবো!!

রাকিবের মা বললেন, ঘরের চালে গাছের ডাল লেগে ‘আ’ও’য়া’জ’ হচ্ছে। ওমনি সে ‘লা’ফি’য়ে’ উঠলো! গাছের ডাল কেটে এসে সে সটান শুয়ে পড়ে বললো, দেখ বউ সারা রাত যেন ‘ডি’স্টা’র্ব’ না হয়,তাহলে ‘ডা’ই’রে’ক্ট’ ‘খু’ন’ করে ফেলবো!

‘জ’রি’ ভেবে পেল না,যে ব্যাটা বাসর রাতে লাফিয়ে উঠে গাছের ডাল কাটতে যেতে পারে সে ব্যাটা না জানি আর কি করতে পারে! সে ‘জা’মা’ই’কে’ ‘সা’ই’জ’ করবে কি? ‘উ’ল্টো’ হয়ে সেও শুয়ে রইলো!

‘সকালে ঘুম থেকে উঠে ‘জ’রি’ জামাইকে ‘ডা’ক’তে’ গেলো নাস্তা খাওয়ার জন্য, রাকিব ‘লা’ফি’য়ে’ উঠে বললো, কোন ‘শা’লা’ ‘ডা’কে’ রে! ‘ডা’ই’রে’ক্ট’ ‘খু’ন’ করে ফেলবো!!

‘জ’রি’ ‘ভ’য়ে’ ভয়ে বললো, আপনি শুধু ‘ডা’ই’রে’ক্ট’ ‘খু’ন’ করে ফেলবো বলেন কেন? আপনার আর কোন কথা ‘নে’ই’? রাকিব বললো,আওয়াজ নীচে। আমার দাদা করেছে তিন বিয়ে, নানা করছে চারটা। প্রয়োজন হলে আমি করবো পাঁচটা। সব সময় আমার বাধ্য হয়ে চলবে নইলে ‘খু’ন’ করে ফেলবো!!

জরি আর কোন কথা বলার সাহস পেল না। এদিকে জরির বাপ মেয়েকে দেখতে আসার ‘সা’হ’স’ পাচ্ছে না,না জানি ‘পাঁ’জি’ মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে কোন ‘কা’ন্ড’ বাঁধিয়ে দিয়ে ‘ই’জ্জ’ত’ ‘ন’ষ্ট’ করে ফেলে! তিনি কোনদিন বউয়ের উপর মুখ তুলে কথা বলার সাহস পাননি, মেয়ে হয়েছে মায়ের মতো। আল্লাহ জানে এই মেয়ে স্বামীর সংসার করতে পারে কি-না!!

পনের দিন পর আল্লাহ আল্লাহ করতে করতে মেয়ের শ্বশুর বাড়ি রওনা হলেন।বাড়ির কাছে আশেপাশের লোকজনের কাছে খবর নেওয়ার চেষ্টা করলেন।এক চায়ের দোকানদার বললো, রাকিবের বউ যথেষ্ট ভালো হয়েছে, জামাই, শ্বাশুড়ির যথেষ্ট খেয়াল রাখে!তিনি ভেবে পেলেন না তার মেয়ের হঠাৎ পরিবর্তন হলো কী করে!!

জামাই বাড়িতে তিনি যথেষ্ট সম্মান পেলেন, মেয়ের শ্বাশুড়ি বউয়ের প্রশংসা করছে।তিনি রাকিবকে আড়ালে ডেকে নিয়ে বললেন, বাবা আমার মেয়েকে লাইনে আনলে কীভাবে? আমি তো তোমার শ্বাশুড়িকে সারা জীবনেও লাইনে আনতে পারলাম না! রাকিব বললো, ‘কু’ড়া’ল’ দিয়ে।

তিনি খুব ঘাবড়ে গিয়ে বললেন, ‘কু’ড়া’ল’ দিয়ে? আব্বা, আপনি বাসর রাতেই ‘মা’র’ খেয়ে বসে আছেন। যদি বাসর রাতে আমার মতো ‘কু’ড়া’ল’ ব্যবহার করতেন তাহলে শ্বাশুড়ি আপনার লাইনে থাকতো! জরির বাপ কিছু না বুঝে জামাইয়ের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইলো!