টিকা দেয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই মা’রা গেল শি’শু পাপিয়া

ঘাটাইলে টিকা দেয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে পাপিয়া নামে ১০ বছর বয়সী এক শি’শুর মৃ’ত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সকালে উপজে’লার দেওপাড়া ইউনিয়নের গানজানা স্বনির্ভর সূর্যের হাসি ক্লিনিকে।

পাপিয়া গানজানা গ্রামের বাহাজ উদ্দিনের মেয়ে। সে স্থানীয় গানজানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছা’ত্রী। জানা যায়, সকাল ১০টার দিকে শি’শুটি ওই গ্রামের সহপাঠীদের সঙ্গে খেলা করছিল।

এমন সময় তার খেলার সাথীদের সঙ্গে স্থানীয় স্বনির্ভর সূর্যের হাসি নামে একটি ক্লিনিকে গিয়ে হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণ করে বাড়ি ফিরে যায়।তার একটু পরেই সে অ’সুস্থ অনুভব করলে তাকে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে নিয়ে যায় পরিবারের সদস্যরা।

সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঘাটাইল উপজে’লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পাপিয়াকে মৃ’ত ঘোষণা করেন।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. পার্থ প্রতীম সাহা বলেন, শি’শুটি আগে থেকেই শ্বা’সক’ষ্টে ভুগছিল। মা’রা যাওয়ার কারণ বোঝা যাচ্ছে না। অ’পর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিভাগীয় ত’দন্ত ছাড়া কিছু বলা যাবে না।

জানতে চাইলে জে’লা সিভিল সার্জন কর্মক’র্তা ডা. মো. ওয়াহীদুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, আম’রা সাধারণত কোনো অ’সুস্থ বা হাঁপানি রোগীদের কোনো ভ্যাকসিন দিতে নিষেধ করি। তবে ওই শি’শুটির যে আগে থেকেই শ্বা’সক’ষ্ট ছিল এটা হয়তো আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা বুঝতে পারেনি।

শি’শুটি টিকা নেয়ার কিছুক্ষণ আগেও খেলা করছিল, অথচ টিকা দেয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই মা’রা গেল, তাহলে টিকা বা ভ্যাকসিনের মেয়াদ ছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আম’রা লেভেল দেখেছি, মেয়াদ আছে।

তাহলে এমন ঘটনা ঘটার কারণ কি জানতে চাইলে ডা. মো. ওয়াহীদুজ্জামান বলেন, আমাদের আগে থেকেই ত’দন্ত কমিটি করা আছে। তারা সবাই ডাক্তার এবং যে কোনো ঘটনার জন্য এরা ত’দন্ত করে থাকে।

ভিকটিম’রা চাইলে খুব তাড়াতাড়িই ত’দন্ত করা হবে। ত’দন্তের মাধ্যমে বিষয়টি জানা যাবে বলে জানান তিনি।

এদিকে ঘাটাইল উপজে’লা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মক’র্তা ডা. সাইফুর রহমান খান পত্রিকায় না লেখার জন্য অনুরোধ করেন। এ ঘটনার পর ইউএনও অঞ্জন কুমা’র সরকার হাসপাতা’লে যান। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লা’শ ময়নাত’দন্ত ছাড়াই দাফনের প্রক্রিয়া চলছিল।