এলাকার জনগণ আমার সম্পদ : কাদের মির্জা

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যতদিন বেঁচে রাখবেন, ততদিন সাহস করে সত্য কথা বলব। রাজনীতির জন্য জেল খেটে খেটে তিতা হয়ে গেছি। আমাকে জেলের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। এলাকার জনগণ আমার সম্পদ বলেছেন, সেতুমন্ত্রীর ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র প্রার্থী আবদুল কাদের মির্জা। বৃহস্পতিবার বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে প্রচারাভিযানে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র চলছে, আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ কিছু করতে পারবে না। আমার বিরুদ্ধে যতই ষড়যন্ত্র হোক আমি মালেক উকিলের ভাষায় বলব, বসুরহাট পৌরসভা বঙ্গবন্ধু চত্বরে দাঁড়িয়ে আমি বঙ্গবন্ধুর কথা বলব, শেখ হাসিনার উন্নয়নের কথা বলব, ওবায়দুল কাদেরের উন্নয়নের কথা বলব।

আবদুল কাদের মির্জা বলেন, আমি আমেরিকায় গিয়েছিলাম চিকিৎসার জন্য, মনে করেছিলাম যেখানে আমার জীবনের অবসান হবে। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আমার পেটের মধ্যে দুটি টিউমার পায়। টিউমারের মধ্যে ক্যান্সারের কোন জীবাণু ছিলনা। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি বেঁচে গেছি।

তিনি বলেন, নোয়াখালীতে টেন্ডারবাজি করে এক এমপি হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আমি এসবের প্রতিবাদ করলে, আমি নাকি খারাপ। আমাকে ভয়-ভীতি দেখানো হয়।

কাদের মির্জা বলেন, আমাদের কিছু আমলা নেতা, দুর্ণীতিবাজ নেতা আছে প্রধানমন্ত্রী ফল চাইলে তারা গাছসহ দিয়ে দেয়, তাদেরকে রুখতে হবে। আগামী ১৬ জানুয়াররি বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচন হবে। অবাধ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভোটে জনগণ ধানের শীষে ভোট দিলেও আমার কোন আপত্তি নেই। আমি ২-৪টা ভোট পেলেও এখানে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আমার প্রতিপক্ষ নির্বাচিত হলে, আমি তাকে অভিনন্দন জানিয়ে মিষ্টি খাইয়ে বাড়ি চলে যাবো। পরদিন ঘুম থেকে উঠে আমার রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাবো।

তিনি আরো বলেন, আমাদের জাতীয় নেতা ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমদ খুবই অসুস্থ। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। ওবায়দুল কাদের সাহেব স্প্লিন্টারের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত। উনাকে ওপেনহার্ট সার্জারী করা হয়েছে, তিনিও অসুস্থ। নাছের সাহেব ক্যান্সারে আক্রান্ত। এই তিন নেতা মরে গেলে, বৃহত্তর নোয়াখালীতে এত বড় মাপের নেতা পাওয়া যাবে না।

তিনি বিকেল পর্যন্ত বসুরহাট পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের বটতলা, ৫নং ওয়ার্ডের কলেজ গেইটে, ৬নং ওয়ার্ডে ফজলুল হক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে, ৮নং ওয়ার্ডে হাসপাতাল গেইটে নির্বাচনী পথসভা ও প্রচারাভিযানে অংশ নেন।

এ সময় কোম্পানীগঞ্জ আ’লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইস্কান্দার হায়দার চৌধুরী বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নুর নবী চৌধুরী, বসুরহাট পৌরসভা আ’লীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আজম পাশা চৌধুরী রুমেলসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।