বাসা ফাঁকা পেলেই মে’য়েদের সঙ্গে ফুর্তি করত দিহান

রাজধানীর কলাবাগানের ডলফিন গলি এলাকায় ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের এক শিক্ষার্থীকে পর অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে তার বয়ফ্রেন্ড ফারদিন ইফতেখার দিহান ও তিন সহপাঠীর বি’রুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নি’হত ওই তরুণী (১৭) ও লেভেলের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার নাম আনুশকাহ নূর আমিন।

নি’হত শিক্ষার্থীর বোন জামাই শরীফ বলেন, সে স’ম্পর্কে আমা’র চাচাতো শ্যালিকা। এ বছর মাস্টারমাইন্ড স্কুল থেকে ও-লেভেল পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটার দিকে কলাবাগানের ডলফিন গলিতে কোচিং করতে গেলে এ সময় তার এক বান্ধবী মিথ্যা প্রলো’ভন দেখিয়ে একটি বাসায় নিয়ে যায়। এ সময় ওই বাসাতে চারজন মিলে তাকে করে।

যখন প্রচন্ড র’ক্তপাত শুরু হয় তখন অ’ভিযু’ক্ত ফারদিন ইফতেখার দিহান তাকে ধানমন্ডির আনোয়ার খান ম’র্ডান হাসপাতা’লে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিকাল পাঁচটায় হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা’রা যায়। ম’রদেহ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লের ম’র্গে রয়েছে। এ বিষয়ে আম’রা মা’মলা করেছি।

চিকিৎসকরা জানান, শিকার আনুশকাহের শরীর থেকে অ’তিরিক্ত র’ক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তার পেটের ডান পাশে আ’ঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে কলাবাগান থা’না পু’লিশ ম’রদেহ উ’দ্ধার করে ময়নাত’দন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ ম’র্গে পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, নি’হত শিক্ষার্থীর মা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে চাকরি করেন। বাবা ব্যবসায়ী। তিন ভাই বোনের মধ্যে সে ছিল বড়। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থাকতেন।

নি’হত শিক্ষার্থীর মা জানান, আমা’র মে’য়েকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ও আমাকে যখন ফোন করে জানিয়েছিল তখন আমি অফিসে ছিলাম। আমাকে জানায়, মা আমি ক্লাসের ওয়ার্কসিট আনতে যাচ্ছি। এই বলে গেছে।

দুপুর একটার পরে একটি ছে’লে মুঠোফোন থেকে ফোন দিয়ে জানায়, আমা’র মে’য়ে অ’জ্ঞান হয়ে গেছে। ওকে হাসপাতা’লে নিয়ে এসেছি। আপনারা আসেন। পরবর্তীতে গিয়ে দেখি মে’য়ের নিথর দেহ পড়ে আছে। ওকে হাসপাতা’লেই আনা হয়েছে মৃ’ত।

কলাবাগান থা’নার ইন্সপেক্টর (অ’পারেশন্স) ঠাকুর দাস বলেন, ওই ছা’ত্রীর বাসা রাজধানীর ধানমন্ডির সোবহানবাগে। বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে ওই ছা’ত্রী তার বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বাসা থেকে বের হন। কলাবাগানের ডলফিন গলিতে দিহানের বাসায় যান ওই ছা’ত্রী।

দিহানের বাসা তখন ফাঁকা ছিল। সেখানে ওই ছা’ত্রী শিকার হওয়ার পর অ’সুস্থ হয়ে পড়লে দিহান তার তিন বন্ধুকে ফোন করে ডেকে আনে। পরে তারা অ’সুস্থ ছা’ত্রীকে চিকিৎসার জন্য মডার্ণ আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে নিয়ে যায়। সেখানে বিকালে তার মৃ’ত্যু হয়।