পু’লিশের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ করলেন আনুশকার মা-বাবা

সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে আনুশকার বাবা-মা অ’ভিযোগ করেছেন, মে’য়ের বয়স নিয়ে পু’লিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের বিড়ম্বনায় ফেলেছে। পাসপোর্ট ও জন্মসনদ অনুযায়ী আনুশকার বয়স ১৭। মা’মলা দুর্বল করতে বয়স ১৯ লেখা হয়েছে।

এখন প্রশ্ন হলো- বয়স ১৯ করা গেলেই কি মুক্তি মিলবে ইফতেখার ফারদিন দিহানের? না বয়স ১৯ হলেও সর্বোচ্চ শা’স্তিই ভোগ করতে হবে দিহান?

রাজধানীর কলাবাগানের ডলফিন গলি এলাকায় ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের এক শিক্ষার্থীকে পর অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে তার বয়ফ্রেন্ড ফারদিন ইফতেখার দিহান ও তিন সহপাঠীর বি’রুদ্ধে।

দিহানের ভাই নিলয় সরকার তিনি বলেন, সকালে উঠে অফিসে চলে গিয়েছি। বগুড়াতে আমা’র নানা অ’সুস্থ, মা সেদিন সকালে নানাকে দেখতে বাড়ি থেকে বের হয়েছেন। আমা’র এক চাচা আবার ওইদিনই মা’রা যান।

রাজশাহীতে জানাজা হয়েছে। আমা’র বাবা সেখানে ছিলেন। বাসা সেদিন একদম ফাঁকা ছিল। হঠাৎ দুপুর ১টা ২৫ মিনিটের দিকে দিহান আমাকে ফোন দিয়ে কাঁদো কাঁদো স্বরে কথা বলে।

জীবনে ওকে আমি কখনও কা’ন্না করতে দেখিনি। ফোন দিয়ে বলে, ‘ভাইয়া বাসায় বান্ধবীকে নিয়ে এসেছিলাম। অ’জ্ঞান হয়ে গেছে। হাসপাতা’লে নিয়ে যাচ্ছি। তুমি আসো, তুমি ছাড়া আমাকে কেউ বাঁ’চাতে পারবে না।’

দিহানের ভাই আরও বলেন, আমি ভয় পেয়ে যাই। তখনই আমা’র কর্মস্থল থেকে বের হয়ে এসেছি। দিহান বারবার ফোন দিচ্ছে ‘ভাইয়া তুমি দ্রুত আসো।’

পরে দুপুর ১টা ৫০-এর দিকে আবার ফোন করে। তখন বলে, ‘ভাইয়া ও তো মা’রা গেছে’। তখন আমি বলি, ‘কে মা’রা গেল ঠিকঠাক মতো বলো’। দিহান বলে, ‘তুমি হাসপাতা’লে চলে আসো দ্রুত।’