এটি মিথ্যা মা`মলা, আমি অনেক কষ্টে আছি ন্যায় বিচার করুন: মাওলানা সাঈদী

অর্থ আ`ত্মসাতের অ`ভিযোগে দা`য়ের হওয়া মা`মলায় `একাত্তরে মু`ক্তিযু`দ্ধের সময় সংঘটিত মা`নবতাবি`রোধী অ`পরাধের দায়ে আমৃ`ত্যু কা`রাদণ্ডপ্রা`প্ত জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ ছয়জনের বি`রুদ্ধে অ`ভিযোগ গঠন করেছেন আদালত।

যু`দ্ধাপরাধে আমৃ`ত্যু কা`রাদ`ণ্ডে দ`ণ্ডিত সা`ঈদীর উ`পস্থিতিতে সোমবার ঢাকার বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে মা`মলার অ`ভিযোগ গ`ঠন হয়।

আ`দেশের পর কাঠগড়ায় দাঁ`ড়িয়ে আ`দালতের অ`নুমতি নিয়ে মাওলানা দে`লাওয়ার হো`সাইন সাঈদী বলেন, এটি একটি মিথ্যা মা`মলা। আল্লাহর কোনো ভ`য় নেই। তাদের বিচার হবে। জা`হান্নামে যেতে হবে। আমি খু`বই ক`ষ্টে আছি। আমার হার্টে পাঁচটি রিং পরানো। ৪০ বছর ডা`য়াবেটিসে আ`ক্রান্ত। ন্যায় বিচার করুণ। তা না হলে জা`হান্নামে যে`তেই হবে।

মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন জানান, আ`দালতের আ`নুমতি নিয়ে কা`ঠগড়ায় দাঁ`ড়িয়ে মাওলানা সাঈদী আ`ইনজীবী ও পু`লিশের উপ`স্থিতিতে এসব কথা বলেন।

মা`মলার অপর ৫ আ`সামি হলেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক প`রিচালক মোহাম্মদ লুৎফুল হক, ম`সজিদ কাউন্সিল ফর কমিউনিটি এডভান্সমেন্টের সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল কালাম আজাদ,

বন্ধুজন পরিষদের প্রধান সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ ইউনুস, ইসলামী সমাজকল্যাণ কেন্দ্রের সাবেক সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদ কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল হক।এর আগে ২৮ ডিসেম্বর বিচারক মা`মলাটির চার্জ শুনানির জন্য আজকের দিন ঠিক করে দিয়েছিলেন।

আসামিদের মধ্যে সাঈদী কারাগারে আছেন। আবুল কালাম আজাদ ও আবদুল হক পলাতক রয়েছেন। অপর তিন আসামি জামিনে রয়েছেন।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আ`ঘাত দেওয়ার অভিযোগে ২০১০ সালের ২৯ জুন সাঈদী গ্রে`ফতার হন। পরে ২ আগস্ট মা`নবতাবিরোধী অ`পরাধের মা`মলায় তাকে গ্রে`ফতার দেখানো হয়। এ মামলায় ২০১৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আমৃ`ত্যু কা`রাদণ্ডের আদেশ দেন আ`পিল বিভাগ।