জানুনঃ ৮০টি রোগ থেকে মুক্তি পেতে চিনির পরিবর্তে ব্যবহার করুন এই ৫ জিনিস!

!চিনি মানবশরীরের জন্য একটি অত্যন্ত ক্ষতিকারক পদার্থ।তবে মিষ্টতার জন্য ক্ষতিকর হলেও এটি খাওয়া থেকে কেওই নিজেকে বঞ্চিত করতে চান না। আবার অনেকেই ভাবেন চিনি বাদ দেওয়া মানে মিষ্টি খাওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া। তাদের জন্য জানিয়ে দিই, চিনি এবং মিষ্টি দুটি সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস।

চিনি ছাড়াও মিষ্টি খাওয়া সম্ভব। চিনির বিকল্প অনেক জিনিস এমন আছে যা ক্ষতিকর নয় আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য। চিনির বিকল্প দ্রব্যগুলি জানার আগে আমরা চিনির ক্ষতিকারক দিক গুলির কারণ জেনে নেব। তিনি সাধারণত আখের রস থেকে তৈরি করা হয়।

কিন্তু এই আখের রস যখন প্রক্রিয়াজাত করণের মাধ্যমে তৈরি হয় এর মধ্যে নানান ধরনের ক্ষতিকারক পদার্থ মিশে থাকে।চিনি সমৃদ্ধ যে কোন খাবার বেশি মাত্রায় সেবন করলে আমাদের পেটের চর্বি বৃদ্ধি পেতে থাকে উত্তরোত্তর। বেশি চিনি সেবন করলে শরীরের বয়সের ছাপ তাড়াতাড়ি পড়ে যায়।

মস্তিষ্ক এও প্রভাব পড়তে পারে।এতসব সমস্যা থাকতেও আমরা সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতের খাবার অবধি মিষ্টির জন্য চিনি ব্যবহার করে থাকি। চিনির বিকল্প হিসেবে প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে মিছরি। আমরা চা বা লস্যি জাতীয় খাবারে চিনির বিকল্প হিসেবে ছবি ব্যবহার করতে পারি।

এটি আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এছাড়াও রয়েছে কোকোনাট সুগার। এই কোকোনাট সুগারে ক্যালোরিও থাকে সাধারণ সুগারের মতই। এরপরে যে পদার্থটির নাম নেব তা শুনলে আপনিও অবাক হবেন। আপনারা চাইলে খেজুর থেকেও চিনি তৈরি করতে পারেন, এটিকে খেজুরের চিনি বলা হয়।

শুকনো খেজুর কে হালকাভাবে ছাড়িয়ে এটিকে মিক্সার এর মাধ্যমে গুঁড়ো করে নিন। এই সুগার আমাদের শরীরের হাড় কেও শক্তিশালী করে। এছাড়া চিনির পরিবর্তে গুড়ের ব্যবহার তো রয়েছেই।গুড় লিভারের যেকোনো সমস্যায় খুবই কার্যকর। সবশেষে বলব কাঁচা মধুর কথা। মধু কখনো দূষিত হয় না,আপনারা চিনির বিকল্প হিসেবে মধু কেও ব্যবহার করতে পারেন।