সহজে দাঁতের হলুদ দাগ দূর করবেন যেভাবে

একটা হাসিতেই বিশ্বজয় করা যায়। এই কথা তো আম’রা অনেকেই শুনেছি। কিন্তু এই হাসি যদি দাগ ছোপ ধ’রা হয়, তাহলে তো বেশ বিশ্রী ব্যাপার। হ্যাঁ, অনেকেরই এই স’মস্যা থাকে, দাঁত কোনও মতেই আর ঝকঝকে হয় না কিছুতেই তাঁদের তো মন খা’রাপও করে, কারণ প্রা’ণ খু’লে হাসতেই পারেন না তাঁরা।কিন্তু তাঁদের জন্যও ঘরোয়া কিছু উপায় আছে।

এই টুকটাক জিনিসগুলোতেই মু’ক্তোর মতো ঝকঝকে দাঁতের হাসি আপনি পেতেই পারেন। একটা হাসিতেই বিশ্বজয় করা যায়। এই কথা তো আম’রা অনেকেই শুনেছি। কিন্তু এই হাসি যদি দাগ ছোপ ধ’রা হয়, তাহলে তো বেশ বিশ্রী ব্যাপার।

হ্যাঁ, অনেকেরই এই স’মস্যা থাকে, দাঁত কোনও মতেই আর ঝকঝকে হয় না কিছুতেই।তাঁদের তো মন খা’রাপও করে, কারণ প্রা’ণ খু’লে হাসতেই পারেন না তাঁরা। কিন্তু তাঁদের জন্যও ঘরোয়া কিছু উপায় আছে। এই টুকটাক জিনিসগুলোতেই মু’ক্তোর মতো ঝকঝকে দাঁতের হাসি আপনি পেতেই পারেন।
জে’নে নিন ঘরোয়া উপায়গুলো কী কী:

১। কার না বাড়িতে নুন, সর্ষে আর পাতি লেবু থাকে না! এই তিনটি উপাদানেই আপনার কাজ হাসিল হতে পারে। এক চিমটে নুন, একটু সর্ষে গুঁড়ো লেবুর রসে মিশিয়ে নিন। সেই মি’শ্রণটাই দাঁতে খুব হাল্কা করে ঘষে নিন রোজ। দেখু’ন আপনার হাসি দিন দিন ঝকঝকে হয়ে উঠছে।

২। কলা প্রায় সব বাড়িতেই কেউ না কেউ খান, তো তার খোসাটা সরাসরি ডাস্টবিনে চালান করে দেন নিশ্চয়? আর দেবেন না। হ্যাঁ, আগে দাঁত ঝকঝকে করে নিন। তারপর ওটাকে বিদা’য় জা’নাবেন। কারণ দাঁতে যদি কলার খোসা ঘষে দেন রোজই তাহলে দেখবেন, দাঁতের হলদেটে ভাব আর নেই। তবে কলার খোসার বাইরের দিকটা নয়, ভি’তরের দিকটা এক্ষেত্রে আপনার কাজে আসবে।

৩। বেকিং সোডা খুবই অবহেলায় রান্নাঘরে পড়ে থাকা একটা জিনিস, রোজ তার ব্যবহারও হয় না আমাদের জীবনে। এটাই আপনার কাজে আসতে পারে এক্ষেত্রে। এক চিমটে করে বেকিং সোডা নিয়ে উপরের এবং নীচে পাটিতে বুলিয়ে নিন। দেখু’ন দাঁত কেমন ঝকঝক করছে।

৪। কমলালেবু খেয়ে তার খোসাও তো ফে’লে ই দেন, ফেলার আগে একবার দাঁতে ঘষেই নিন কয়েকদিন। দেখু’ন কেমন ঝকঝক করে আপনার দাঁতকপাটি।৫। রান্নাঘরে নুন তো সকলেরই থাকে। রান্নায় এবং জীবনে নুনের অভাব কখনওই চান না কেউ। তো এই নুনএক চিমটে করে নিয়ে দাঁতে ঘষে নিন রোজ, দাঁত রাখু’ন ঝকঝকে।

৬. যাঁরা পায়োরিয়ার স’মস্যায় ভো’গেন, দাঁতে ছোপ তো থাকেই, স’ঙ্গে দোসর দুর্গন্ধ। তাঁরা রোজ তুলসীপাতা চিবিয়ে নিন দু একটা দেখবেন সেই দুর্গন্ধ তো থাকবেই না, সাথে দাঁতও হবে ঝকঝকে। অতএব, সকাল হোক বা বিকেল দাঁতের যত্ন নিতে ভুলবেন না। কারণ আপনার মুখের একটা ঝকঝকে হাসির জন্য হয় তো অনেকে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকেন