শরীরকে বি’ষমুক্ত রাখতে চান? নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন

শ’রীরের নিয়মিত ডিটক্সিফিকেশন (শ’রীর থেকে বি’ষাক্ত পদার্থের নির্গমন) সু’স্থতার জন্য অত্যন্ত জ’রুরি। কিন্তু কী ভাবে সম্ভব এই ডিটক্সিফিকেশন? স্বা’স্থ্য পত্রিকা ‘ডে বাই ডে থ্রি সিক্সটি ফাইভ’ জা’নাচ্ছে অত্যন্ত সহজ ও ঘরোয়া এক পদ্ধতি, যার সাহায্যে মাত্র তিরিশ মিনিটে শ’রীরকে বিষমু’ক্ত করে তোলা সম্ভব।

আমাদের শ’রীরে প্রতিদিন প্রবেশ করছে অজস্র বিষাক্ত পদার্থ। কখনও খাদ্যের মাধ্যমে, কখনও বা নিঃশ্বা’স-প্রশ্বা’সের মাধ্যমে এই সমস্ত বিষাক্ত উপাদান শ’রীরে প্রবেশ করছে, এবং শ’রীরের অ’ভ্যন্তরেই বাসা বেঁধে থাকছে।

ডাক্তারি পরিভাষায় এই সমস্ত উপাদানকেই বলা হয় ‘টক্সিক’। শ’রীরে এই সমস্ত উপাদান জমে থাকা বার বার অসু’স্থতা এবং রো’গ প্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা কমে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।

সঙ্গত কারণেই স্বা’স্থ্যবিশেষজ্ঞরা বলেন, শ’রীরের নিয়মিত ডিটক্সিফিকেশন (শ’রীর থেকে বিষাক্ত পদার্থের নির্গমন) সু’স্থতার জন্য অত্যন্ত জ’রুরি। কিন্তু কী ভাবে সম্ভব এই ডিটক্সিফিকেশন? স্বা’স্থ্য পত্রিকা ‘ডে বাই ডে থ্রি সিক্সটি ফাইভ’ জা’নাচ্ছে অত্যন্ত সহজ ও ঘরোয়া এক পদ্ধতি, যার সাহায্যে মাত্র তিরিশ মিনিটে শ’রীরকে বি’ষমু’ক্ত করে তোলা সম্ভব।

প্রথমে জে’নে নেওয়া যাক, কোন কোন উপাদান লাগবে এই ডিটক্সিফিকেশন কৌশলকে কা’র্যকর করার জন্য। লাগবে চারটি জিনিস— ১. ১ কাপ এপসম লবণ। যে কোনও অনলাইন শপিং সাইটে এই নুন পেয়ে যাবেন। দামও বেশি নয় মোটেই। ২. ১ কাপ সাধারণ নুন। ৩. ২ কাপ বেকিং সোডা। ৪. সামান্য অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার। যদি অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার না পান, তা হলে সাধারণ ভিনিগারেও কাজ চলবে। এ বার জে’নে নিন, কী ক’রতে হবে।

প্রথমে একটি ছোট জার নিয়ে তাতে ফুটন্ত জল ভরুন। তাতে মিশিয়ে দিন এপসম সল্ট, সাধারণ নুন এবং বেকিং সোডা। মি’শ্রণটি তৈরি করে জারটিকে আ’লাদা করে সরিয়ে রাখু’ন।

এ বার একটি বালতি বা গামলায় ইষদুষ্ণ গরম জল নিন। তাতে মেশান ভিনিগার। তার পর জারে রাখা মি’শ্রণটিও ওই জলে মিশিয়ে নিন। এ বার নিজে’র দু’ পায়ের পাতা এবং গোড়ালি ডুবিয়ে রাখু’ন ওই জলে। আধ ঘন্টাখানেক এই ভাবে পা ডুবিয়ে বসে থাকুন। একটু পর থেকেই দেখবেন জলের রং বদলাতে শুরু করেছে। আধ ঘন্টাখানেক পরে জলের রং থিকথিকে হলুদ হয়ে যাবে।

বুঝবেন, আপনার শ’রীর থেকে নি’র্গত বিষা’ক্ত প’দার্থই জলে মিশে গিয়ে জলের রং হলুদ করে দিয়েছে।সংশ্লি’ষ্ট পত্রিকায় দা’বি করা হচ্ছে, এই পদ্ধতি স’ম্পূর্ণ নি’রাপদ এবং প্রাকৃতিক।

সপ্তাহে এক দিন করে এই কৌশল কাজে লা’গালেই শ’রীরকে স’ম্পূর্ণ বি’ষমু’ক্ত এবং সু’স্থ রাখা সম্ভব বলে জা’নানো হয়েছে। তা হলে আর দেরি কীসের? শ’রীরকে বি’ষমু’ক্ত এবং সু’স্থ রাখার প্রক্রিয়া শুরু করে দিন আজকেই।
সূত্র : ইন্টারনেট